• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • কালনা শহরে করোনা পরীক্ষা বাড়াতে তৎপরতা প্রশাসনের

কালনা শহরে করোনা পরীক্ষা বাড়াতে তৎপরতা প্রশাসনের

কালনা মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে জ্বর সর্দি কাশির নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকেই। তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

কালনা মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে জ্বর সর্দি কাশির নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকেই। তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

কালনা মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে জ্বর সর্দি কাশির নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকেই। তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: কালনা শহরে করোনা পরীক্ষা বাড়াতে উদ্যোগী হল প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলার সদর শহর বর্ধমান,কাটোয়া,মেমারি শহরের মতো কালনা শহরেও করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে। তবে বর্ধমান বা কাটোয়া তুলনায় কালনা শহরে আক্রান্তের সংখ্যা কম। আবার গঙ্গাপাড়ের মন্দির শহর কালনায় অন্যান্য শহরগুলো থেকে পরীক্ষা করানোর প্রবণতাও কম। প্রশাসন ও পুরসভার পক্ষ থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য বাসিন্দাদের কাছে আবেদন জানানো হলেও অনেকেই তা এড়িয়ে চলছেন।

জ্বর সর্দি হলেও অনেকেই লালারসের নমুনা জমা দিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন কালনায় সরকারি কর্মীদের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সোমবার ৪৩ জন সরকারি কর্মী লালারসের নমুনা জমা দিয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে সরকারি কর্মীদের করোনা পরীক্ষা কাজ চলবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

কালনা মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে জ্বর সর্দি কাশির নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকেই। তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে উপসর্গ থাকলেও বাসিন্দারা যে নিজেদের উদ্যোগে হাসপাতালে এসে লালারসের নমুনা জমা দিচ্ছেন এমনটি নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, অনেকের মধ্যেই করোনার উপসর্গ দেখা দিলে পরীক্ষা করানোর ব্যাপারে যথেষ্ট অনীহা দেখা দিচ্ছে। পরিবার ও এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকেই অনেকে পরীক্ষা করাতে চাইছেন না বলে মনে করা হচ্ছে।

কালনা এক ও দুই নম্বর ব্লকে প্রতিদিনই বেশ কয়েকজন করে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলছে। নানান প্রয়োজনে সেসব এলাকার বাসিন্দারা কালনা শহরে প্রতিনিয়ত যাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকেও শহরজুড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। কালনা শহরেও বেশ কয়েকজন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তাই সেই শহরের সংক্রমণ কতটা ছড়িয়েছে তা বোঝার জন্য বেশি বেশি করোনা পরীক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু বাসিন্দাদের মধ্যে সে ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। এদিন পর্যন্ত কালনা মহকুমা হাসপাতালে প্রায় সাড়ে সাত হাজার জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রায় ৭৫০ জনের অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়েছে ওই হাসপাতালে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনার উপসর্গ থাকলেই বাসিন্দাদের কাছে লালারসের নমুনা আহ্বান করা হচ্ছে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষকেও এ ব্যাপারে প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছে। আশা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে কেউ বাড়িতে থাকলে তাকে যাতে করোনা পরীক্ষার আওতায় আনা যায় তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে তাদের।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: