Coronavirus Vaccine: মুখের ছবির বায়োমেট্রিক প্রমাণ পেলে তবেই মিলবে করোনার টিকা, শুরু বিতর্ক!

মুখের ছবির বায়োমেট্রিক প্রমাণ পেলে তবেই মিলবে করোনার টিকা, সরকারি প্রকল্প ঘিরে শুরু বিতর্ক!

আধার, ব্যক্তিগত পরিচয় পরিচালন কমিটি ইতিমধ্যে আধার ডেটাবেস থেকে পাওয়া মুখের ছবির ভিত্তিতে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : কোভিড ১৯ টিকাদানের ক্ষেত্রে মুখের ছবি ভেরিফাই করার নতুন পাইলট প্রোজেক্টটি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ঝাড়খন্ডে। যে ভাবে করোনার সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে চলেছে তাতে এই যোগাযোগহীন ভ্যাকসিনেসনের দিকে এগোচ্ছে ভারত। এর মাধ্যমে আধার ভিত্তিক মুখের ছবি ভেরিফাই করা হবে। ইউআইডিএআই এই আধার ডেটাবেস থেকে পাওয়া মুখের অবয়ব ভেরিফাই করার জন্য এই পাইলট প্রকল্পটি শুরু করেছে। তবে আরোগ্য সেতুর মতো এতেও নজরদারি এবং তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে যোগাযোগহীন ভাবে ভারতে কোভিড -১৯ টিকাদান করা হবে।

দ্য প্রিন্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান আর এস শর্মা একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, ভারতের অনন্য আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি (ইউআইডিএআই) - আধার, ব্যক্তিগত পরিচয় পরিচালন কমিটি ইতিমধ্যে আধার ডেটাবেস থেকে পাওয়া মুখের ছবির ভিত্তিতে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই তিনি এই প্রোজেক্টকে সফল বলেও অভিহিত করেছেন। আর এস শর্মার সঙ্গে দ্য প্রিন্টের সাথে সাক্ষাৎকারের ভিত্তি অনুসারে, যাঁরা কোভিড ১৯ টিকা পাবেন তাঁদের ভেরিফাই করার জন্য রেটিনা স্ক্যানার সহ তাঁদের আঙুলের ছাপগুলিও জমা দিতে হবে। এই প্রকল্পের ফলে সংক্রমণের আশঙ্কাও দূর হবে। তবে এক্ষেত্রে কোভিড ১৯ টিকা নেওয়ার নাম নিবন্ধ করতে আরোগ্য সেতু অ্যাপ্লিকেশন বা Co-WIN-এ যেতে হবে। নিবন্ধকরণ করার সময়ে মোবাইল নম্বর এবং আধার নম্বরগুলি যুক্ত করতে হবে।

এর পর মুখের অবয়ব ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে। এই ফেস সনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্পর্শহীনভাবে কোভিড ১৯ টিকা নেওয়া যাবে। এছাড়াও ইউআইডিএআইয়ের মাধ্যমে এক দশক ধরে মানুষের মুখের যে সব পরিবর্তন হয়েছে সেগুলিও সহজেই সনাক্তকরণ করা যাবে। এটি সহজেই সেই পরিবর্তন ধরতে সক্ষম। ইতিমধ্যে তা প্রমাণিতও হয়েছে।

সরাসরি ব্যক্তিগত যোগাযোগ বিশ্ব জুড়ে কোভিড -১৯ ছড়িয়ে পড়ার সব চেয়ে বড় কারণ এবং একের পর এক একই আঙুলের ছাপ থেকে কোভিড সেন্টারে সংক্রমণের ভয়ও থেকেই যায়। ফলে সে সব ভয় থেকে রেহাই পাওয়া যাবে এর ফলে। অন্য দিকে কেন্দ্রীয় সরকার একটি ডিজিটাল কোভিড ১৯ টিকা শংসাপত্রও প্রদান করবে, যা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। বিশ্বের যে কোনও জায়গা থেকে এটিকে অ্যাক্সেস করা যাবে। পাশাপাশি তথ্য সুরক্ষিতও থাকবে বলে জানা যায়। এটি পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ এবং আরও গতিশীল করে তুলবে বলে দাবি করা হচ্ছে।

Published by:Raima Chakraborty
First published: