করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিমানযাত্রায় কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে, কারণ জানলে অবাক হবেন!

বিমানযাত্রায় কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে, কারণ জানলে অবাক হবেন!
এছাড়াও সীতারমন বলেন, কেউ শুধুমাত্র হোমটাউন যাতায়াত করলে সেক্ষেত্রে দু’বার LTC -এর সুবিধা নিতে পারবেন ৷ এই স্কিমে সমস্ত কর্মচারী তাঁর পদ এবং পে স্কেল অনুযায়ী বিমান অথবা ট্রেনের চাপার খরচ পাবেন ৷ এছাড়া ১০ দিনের বিশেষ ছুটিও পাবেন কর্মচারীরা ৷Photo: Collected

এটা অস্বীকার করার জায়গায় আমরা এখন আর কেউ নেই যে বর্তমান দুনিয়ায় বিমানযাত্রা শৌখিনতা বা বিলাসিতা কোনওটাই নয়। এ নিতান্তই কঠোর বাস্তব প্রয়োজন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: প্রথমে চুক্তি হয়েছিল মাত্র ১০টা দেশের সঙ্গে। তার পর ভারত এয়ার বাবল চুক্তিতে সই করল আরও ৬ দেশের সঙ্গে। ভবিষ্যতে সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশা প্রকাশ করছে কেন্দ্র! তা, সেই নিরিখেই কি বিমানযাত্রা নিয়ে এ হেন গবেষণার ফলাফল উঠে আসছে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে?

এ ভাবে দেখলে ব্যাপারটা ভুল ভাবা হবে! আসলে এটা অস্বীকার করার জায়গায় আমরা এখন আর কেউ নেই যে বর্তমান দুনিয়ায় বিমানযাত্রা শৌখিনতা বা বিলাসিতা কোনওটাই নয়। এ নিতান্তই কঠোর বাস্তব প্রয়োজন। সেই দিক থেকে দেখলে হয় আজ নয় কাল বিমানপরিবহণকে ফিরতেই হত আগের উদ্যমে। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে দাঁড়িয়ে কোভিড ১৯ সংক্রমণের ভয়টাও কুরে কুরে খাচ্ছে দুনিয়াকে। সেই ভীতি দূর করতেই এ বার এক সমীক্ষা পেশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন। জানাচ্ছে যে বিমানযাত্রায় এখনও পর্যন্ত কোভিড ১৯ সংক্রমণের হার সারা বিশ্বের নিরিখে নগণ্য। সাকুল্যে ১.২ বিলিয়ন যাত্রীর মধ্যে কোভিড আক্রান্ত কেবল ৪৪ জন!

সন্দেহ নেই, বিমানে ওঠার আগে যে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা চলে, সেটাই এই সাফল্যের মূল কারণ। পাশাপাশি আরও কয়েকটি বিষয়ের উপরে জোর দিয়েছে সংস্থা।

১. মুখে সব সময়ে মাস্ক পরে থাকা যে হেতু এখন বাধ্যতামূলক গণপরিবহন মাধ্যমে, সেটা অনেকটা সুরক্ষা দিচ্ছে সবাইকেই। ফলে একজনের থেকে অন্যের সংক্রমণের ঝুঁকির হার এক ধাক্কায় যাচ্ছে কমে।

২. ব্যাক সিটের প্রাচীরও এ ক্ষেত্রে অনেকটা সাহায্য করছে। যার ফলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই একটা নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকছেন পরস্পরের চেয়ে সবাই!

৩. বিমানে উঠে নিজের আসন দখলের পর আর নড়াচড়ার তেমন অবকাশ থাকে না। ফলে যাত্রীরা পরস্পরের সান্নিধ্যেও আসছেন না, সুরক্ষিতও থাকছেন।

৪. বিমানের ভিতরে বায়ু চলাচল হয় উপর থেকে নিচে, মানে সিলিং থেকে ফ্লোরে। যে হেতু বায়ু ছড়িয়ে পড়ছে না, সে হেতু সংক্রমণের আশঙ্কাও কম।

৫. বিমানে কোনও বদ্ধ ঘরের চেয়ে অনেক বেশি তাজা বাতাস চলাচল করে, যা জীবাণু সংক্রমণের বিষয়টিকে রুখে দেয়।

৬. সব চেয়ে বড় কথা- বিমানের বায়ু-চলাচল পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয় হাই এফিসিয়েন্সি পার্টিকুলেট এয়ার ফিল্টার, যা জীবাণুকে অনেকাংশেই আটকে দেয়, ছেঁকে নেয় শুধু তরতাজা বাতাসটুকু।

তা বলে ভাববেন না যে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন আত্মতৃপ্তিতে ভুগছে! আক্রান্তের সংখ্যা নগণ্য হলেও সেটা যে পুরোপুরি ভাবে রোধ করাই ভালো, সে কথাও মুক্ত কণ্ঠে স্বীকার করছে সংস্থা!

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: October 12, 2020, 3:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर