corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গেল পূর্ব বর্ধমানে!

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গেল পূর্ব বর্ধমানে!
Representational Image

পূর্ব বর্ধমান জেলায় দিনে এখন গড়ে ৫০ জন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় নতুন করে সাতান্ন জন করোনা আক্রান্ত হলেন। জেলার শহরগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় চিন্তিত বাসিন্দারা। গ্রামীণ এলাকাতেও বেশ কয়েকটি ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন প্রশাসন। ইতিমধ্যেই জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী। তিনি জানান, কোন এলাকায় সংক্রমণ কিভাবে বাড়ছে তা নজরে রাখা হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা ভাবা হচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় দিনে গড়ে পঞ্চাশ জন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পনের দিন আগেও দিনে গড়ে ১০-১২  জন করে আক্রান্ত হচ্ছিলেন। এখন কোনও কোনও দিন সংখ্যাটা পঞ্চাশ ছাড়িয়েও অনেক বেড়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুই সপ্তাহ ধরেই সংক্রমণের গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। এদিন পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১২২৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৬০ জন চিকিৎসার পর ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে আক্রান্ত রয়েছেন ৩৩৯ জন। তাদের মধ্যে অনেকেই করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা সেফ হাউপ, সেফ হোম ও হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। এদিন পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সাতাশ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় নতুন করে আক্রান্ত ৫৭ জনের মধ্যে ৩২ জনই শহর এলাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ জন। কাটোয়া  শহরে নতুন করে দু’জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে ৷ এছাড়া পূর্বস্থলী এক নম্বর ব্লকের ছয়জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। রায়না এক নম্বর ব্লকে চারজন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। কালনা দু'নম্বর ব্লকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরও তিনজন। এছাড়া ভাতার, পূর্বস্থলী দু'নম্বর ব্লকে দুজন করে আক্রান্ত হয়েছেন। কাটোয়া দু'নম্বর ব্লক, কেতুগ্রাম এক নম্বর ব্লক, খণ্ডঘোষ,মন্তেশ্বর,রায়না দু'নম্বর ব্লক, গলসি এক নম্বর, বর্ধমান এক নম্বর ব্লক ও বর্ধমান দু'নম্বর ব্লকে একজন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: August 8, 2020, 7:32 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर