corona virus btn
corona virus btn
Loading

কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন করোনা আক্রান্ত প্রসূতি ! সুস্থ মা ও সদ্যোজাত

কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন করোনা আক্রান্ত প্রসূতি ! সুস্থ মা ও সদ্যোজাত

কন্যা সন্তানের মা হলেন কোভিড পজিটিভ প্রসূতি।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: কন্যা সন্তানের মা হলেন কোভিড পজিটিভ প্রসূতি। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তিনি জন্ম দেন ফুটফুটে কন্যা সন্তানের। অস্থায়ী চা শ্রমিক ওই প্রসূতি দিন কয়েক আগে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হন মেডিক্যালে। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তাঁর শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে মেডিক্যালের চিকিৎসকরা তাঁর লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে।

রবিবার তাঁর সোয়াবের নমুনা যায় মেডিক্যালের ল্যাবে। গতকাল, সোমবার রাতেই রিপোর্ট আসে। কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট আসায় তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়। দুশ্চিন্তায় পড়েন তাঁর পরিবারের লোকেরা। আজ, মঙ্গলবার তিনি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মেডিক্যালেরই স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ সন্দীপ সেনগুপ্ত-সহ এক বিশেষ মেডিক্যাল টিম আইসোলেশন ওয়ার্ডেই আলাদা করে অস্ত্রোপচার করেন। তাঁকে ওটিতে নেওয়া হয়নি। সদ্যোজাত শিশু কন্যার ওজন হয়েছে ২.৩ কেজি। যা স্বাভাবিক বলেই দাবি চিকিৎসকদের। মা ও মেয়ে দু'জনেই এখন সুস্থ আছে বলে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আপাতত আইসোলেশন ওয়ার্ডেই রাখা হবে প্রসূতিকে। প্রয়োজনে কোভিড স্পেশাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। নকশালবাড়ি ব্লকের একটি চা বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক ওই প্রসূতি। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হন মেডিক্যালের প্রসূতি ওয়ার্ডে। গতকাল রাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসায় দ্রুততার সঙ্গে অন্য প্রসূতিদের সরিয়ে দেওয়া হয় ওই ওয়ার্ড থেকে। মঙ্গলবার ওই ওয়ার্ডটি স্যানিটাইজড করা হয়। এই প্রথম উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত প্রসূতি সন্তানের জন্ম দিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে সদ্যোজাত শিশু কন্যারও লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করবে স্বাস্থ্য কর্মীরা। পাঠানো হবে মেডিক্যালেরই ল্যাবে। আপাতত করোনা সতর্কতা হিসেবে যা করণীয় সেভাবেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিশেষ কেয়ারও নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে এদিনই করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে শিলিগুড়ির কোভিড স্পেশাল হাসপাতাল থেকে ঘরে ফিরলেন দুই আক্রান্ত। একজন শিলিগুড়ির ৬ এবং অন্যজন ২৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ৯ দিনের মাথায় সুস্থ হয়ে তাঁরা ফিরলেন বাড়িতে।

পার্থ প্রতিম সরকার

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: May 26, 2020, 9:38 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर