করোনার থেকে বেশি কঠিন জলবায়ু সমস্যা, বলছেন বিল গেটস

করোনার থেকে বেশি কঠিন জলবায়ু সমস্যা, বলছেন বিল গেটস
করোনার থেকে বেশি কঠিন জলবায়ু সমস্যা, বলছেন বিল গেটস

৫১ বিলিয়ন হল বিশ্ব প্রতি বছর সাধারণত যত টন গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ করে। আর শূন্য হল এই নিঃসরণ কমানোর যে লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিত।

  • Share this:

    #লন্ডন: পৃথিবী যে চরম সমস্যার মুখে পড়তে চলেছে তা আজ থেকে কয়েক বছর আগেই ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন তিনি। একটা মারণ ভাইরাস যে মানুষের জীবনকে পাল্টে দেবে সেটা বছর পাঁচেক আগে অনুমান করেছিলেন বিল গেটস। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি গত কয়েক মাসে প্যানডেমিক অবস্থায় প্রচুর মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। তিনি এবং তার স্ত্রীর নামে যে এনজিও রয়েছে প্রচুর মানুষকে সাহায্য করেছে সেই এনজিও। বিল গেটস ফাউন্ডেশন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির জন্য নানাভাবে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি সংস্থাকে সাহায্য করছে। আর্থিক দিক দিয়ে তো বটেই। প্রযুক্তিগত দিক দিয়েও সাহায্যের হাত এগিয়ে দিয়েছে।

    আসলে মাইক্রো সফটের প্রতিষ্ঠাতা ছাড়াও সমাজকর্মী হিসেবে তাঁর আলাদা পরিচয় আছে। সেই তিনি এবার জানালেন সময় এসেছে মানুষ যাতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে। জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধান তুলনায় কোভিড মোকাবিলার থেকে কঠিন কাজ। ৫১ বিলিয়ন অথবা শূন্য’—জলবায়ু সম্পর্কে এই দুটি সংখ্যা সবার জানা দরকার বলে মনে করেন বিল গেটস। এই কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা কীভাবে করা যায়, তাই নিয়ে সম্প্রতি একটি বই প্রকাশ করেছেন তিনি। এটি একটি গাইডবুক হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

    ৫১ বিলিয়ন হল বিশ্ব প্রতি বছর সাধারণত যত টন গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ করে। আর শূন্য হল এই নিঃসরণ কমানোর যে লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিত। গেটসের মূল লক্ষ্য হল প্রযুক্তি কীভাবে আমাদের সেই যাত্রায় পৌঁছাতে সহায়তা করবে তা তুলে আনা। প্রযুক্তি মানে তাঁর কাছে শুধুমাত্র মেশিন নয়, মানুষের জীবনকে প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজ করে তোলাই তাঁর কাছে আসল প্রযুক্তি। তিনি জানিয়েছেন এক্ষেত্রে বিভিন্ন উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের সরকারকে একযোগে কাজ করতে হবে। গবেষণা এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মাত্রা বাড়াতে হবে।


    যদি জলবায়ু পরিবর্তন কমানো না যায় তাহলে কিন্তু একটা সময় পৃথিবীতে করোনার থেকেও কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এর সঙ্গে চিন্তা বাড়াবে বিশ্ব উষ্ণায়ন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্যোগী ব্যক্তি এবং এনজিও যাঁরা কাজ করছে, প্রয়োজনে তাঁর সাহায্য নিতে পারেন তাঁরা, জানিয়ে রাখলেন গেটস। এখন হাতে যা সময় আছে তা কাজে লাগাতে পারলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব মনে করেন তিনি।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    লেটেস্ট খবর