MP Covid-19 Horror: করোনার আতঙ্ক, হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার লুঠ করছেন সাধারণ মানুষ!

MP Covid-19 Horror: করোনার আতঙ্ক, হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার লুঠ করছেন সাধারণ মানুষ!

হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার লুঠ করছেন সাধারণ মানুষ!

মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার (Oxygen Cylinder) লুঠ করার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এমনই ভয়ানক দৃশ্য দেখা গিয়েছে মঙ্গলবার রাতে দামোহ জেলার একটি হাসপাতালে।

  • Share this:

    #ভোপাল: করোনাভাইরাসের (Coronavirus 2nd Wave) দ্বিতীয় ঢেউতে ভয়ানক পরিস্থিতি মধ্যপ্রদেশের। একদিকে অভিযোগ উঠেছে, করোনায় (Covid-19) মৃতদের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করছে না শিবরাজ সিং চৌহানের সরকার। অন্যদিকে, সরকারের দাবি, রাজ্যে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে অক্সিজেনের জোগান রয়েছে। সেখানে মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার (Oxygen Cylinder) লুঠ করার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এমনই ভয়ানক দৃশ্য দেখা গিয়েছে মঙ্গলবার রাতে দামোহ জেলার একটি হাসপাতালে।

    জেলার একমাত্র কোভিড হাসপাতালে মঙ্গলবার এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। হাসপাতালের স্টোররুম থেকে একের পর এক অক্সিজেন সিলিন্ডার তুলে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন মাস্ক পরা একদল মানুষ। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে, হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা নিজেদের কাজ বন্ধ করে সেখানে পাহারা দিতে শুরু করেছিলেন। পরে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়, এবং সেখানে পুলিশি প্রহরা বসলে তার পর কাজে ফিরতে পারেন তাঁরা।

    এমন ঘটনা মঙ্গলবারই প্রথম হয়নি। সোমবারও একই ভাবে অক্সিজেনের সিলিন্ডার লুঠ করে পালান সাধারণ মানুষ। যদিও পুলিশ এখনও কাউকে আটক করেনি। দামোহ জেলার ওই হাসপাতালের সিভিল সার্জেন ডক্টর মমতা তিমোতি বলেছেন, 'সোমবারের ঘটনার পরই পুিলশ ও জেলা প্রশাসনকে এই খবর দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার ফের অভিযোগ জানানো হয়। এমন পরিস্থিতিতে ডাক্তার, নার্স ও প্যারামেডিকরা কোনও ভাবেই নিজেদের কাজে মন দিতে পারছিলেন না।'

    মানবিকতার খাতিরেই তাঁরা পরে কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দামোহ জেলার ওই হাসপাতালের সিভিল সার্জেন ডক্টর মমতা তিমোতি। দামোহর জেলাশাসক তরুণ রিথি দাবি করেছেন, এই দুষ্কৃতীরা একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার লুঠ করে নিয়ে পালিয়েছেন। যদিও পুলিশ কাউকেই গ্রেফতার করেনি। দামোতে মঙ্গলবার নতুন করে ৮৫ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত জেলায় আক্পান্ত ৪ হাজার ১৬২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: