Corona 2nd Wave Peaked: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শীর্ষে ভারত! আরও ভয়ানক হবে পরিস্থিতি? কবে কমবে সংক্রমণ?

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শীর্ষে পৌঁছল ভারত। সম্প্রতি কেমব্রিজ জজ বিজনেস স্কুল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের ট্র্যাকার এই তথ্য়ই তুলে ধরেছে।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শীর্ষে পৌঁছল ভারত। সম্প্রতি কেমব্রিজ জজ বিজনেস স্কুল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের ট্র্যাকার এই তথ্য়ই তুলে ধরেছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লিঃ করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শীর্ষে পৌঁছল ভারত। সম্প্রতি কেমব্রিজ জজ বিজনেস স্কুল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের (Cambridge Judge Business School and the National Institute of Economic and Social Research) ট্র্যাকার এই তথ্য়ই তুলে ধরেছে বিশ্ববাসীর সামনে। তবে আগামীতে দেশের একাধিক রাজ্যে মারণ করোনা সংক্রমণের গ্রাফ যে এখনও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাও বিশদে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছে যাওয়াটা একপ্রকার ইতিবাচক হওয়ায় খানিকটা হলেও  স্বস্তি মিলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ৭ মে'র আগে পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ৭ মে ৪,১৪,১৮৮ জনের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য মিলেছিল মাত্র ২৪ ঘণ্টায়।  ৯ মে উল্লেখযোগ্যভাবে তা নেমে যায়। গত ৩ দিন আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে ৩ লক্ষের কোটাতেই।

    কেমব্রিজের ট্র্যাকার যারা বিশ্লেষণ করছেন, তাঁদের দাবি, বর্তমানে ভারতের সংক্রমণ গ্রামীন স্তরে পৌঁছে গিয়েছে শহর ছাড়িয়ে। তার ফলেই সংক্রামিতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। Bloomberg-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে করোনাভাইরাসের যে প্রজাতি এখন ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে তার ফলে সংক্রমণ বাড়ছে ঝড়ের গতিতে। আগামী দু-সপ্তাহে দেশের বেশ কিছু রাজ্যে করোনাক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। তারই রাজ্যভিত্তিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করেছে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি। জানিয়েছে, অসম, হিমাচলপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ত্রিপুরাতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে আগামী ১৪ দিনে।

    এ দিকে, সোমবার হু-এর তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে করোনাভাইরাসের যে প্রজাতি এখন ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে, তার খোঁজ মিলেছে বিশ্বের ৪৪টি দেশে। প্রসঙ্গত, এই ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ গত বছর অক্টোবর মাসে ভারতে প্রথম মিলেছিল। সম্প্রতি হু ওই ভাইরাসের নাম দিয়েছে, বি.১.৬১৭। ভারতের সঙ্গে বিমান পথ বহু দেশ বন্ধ করে দিয়েছে শুধু এই ভাইরাসের প্রকোপ আটকাতে। কিন্তু তাতেও বিশেষ লাভ মেলেনি। এই মুহূর্তে বিশ্বের ৪৪টি দেশে করোনার এই প্রজাতির ভাইরাস খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩৮৯ জন। এই বৃদ্ধির জেরে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪০ হাজার ৪২৬ জন। বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে ভারত। প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা।গত বছরের তুলনায় এ বছর আরও ভয়ঙ্কর রুপ নিয়েছে করোনা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশের দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাকেও বাড়িয়ে দিয়েছে। যা ভারতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪,১৯৮ জনের। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ২২৫ জনের। তবে স্বস্তির খবর, দেশে কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৯৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৫০ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৬৬১ জন। দেশে সুস্থতার হার ৮১.৯ শতাংশ। আর এখনও পর্যন্ত টিকাকারণ হয়েছে ১৭ কোটি ২৭ লক্ষ ১০ হাজার ০৬৬ জনের।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: