corona virus btn
corona virus btn
Loading

চশমা থাকলেও কোনও অসুবিধে নেই, পুলিশকর্মীদের জন্য বিশেষ মাস্ক তৈরিতে ব্যস্ত দম্পতি

চশমা থাকলেও কোনও অসুবিধে নেই, পুলিশকর্মীদের জন্য বিশেষ মাস্ক তৈরিতে ব্যস্ত দম্পতি

বর্তমানে বাজারমূল্য চল্লিশ টাকা হলেও পুরোপুরি বিনামূল্যে তা দিয়ে যাচ্ছেন অয়ন ঘোষ।

  • Share this:
#কলকাতা: মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক,  মাস্ক অনেক সময় ধরে পড়ে থাকলেও সমস্যার শেষ নেই। বিশেষ করে যারা চশমা ব্যাবহার করেন তাদের কাছে মাস্ক অনেক  সমস্যার। মাস্ক ব্যবহার করলেই চশমা হয় ঝাপসা,  তার ফলে পড়ে থাকা তো দূর খোলার তাড়া বেশি।  যদি সেই চশমা ব্যবহার করেন কোন পুলিশ কর্মী তাহলে আর কথা নেই। সারাদিনের ডিউটিতে মাস্ক যেন বাড়তি মাথাব্যথা।  সেই মাথাব্যথা কিছুটা কমিছে কেষ্টপুরের অয়ন। মাস্ক বিক্রেতা তিনি নন, লকডাউনে আর পাঁচজন ব্যাবসায়ীর মত তারও বন্ধ কারখানা। তবে বন্ধ কারখানার পড়ে থাকা ডিজিটাল স্ক্যানার কি জানে লকডাউনের মানে? তার দুঃখ বুঝেছে লকডাউনে বন্ধ কারখানার মালিক অয়ন। বাড়িতে সেই মেসিন এনে নতুন কিছু করার পরিকল্পনায় কেল্লাফতে দেখান প্রাক্তন তথ্যপ্রযুক্তির কর্মী। প্লাস্টিক জাতীয় একটি মোটা কেমিক্যাল গলিয়ে তৈরি করেন একটি হেয়ার ক্লিপ। মুখের সামনে ফেস সিল্ট দিয়ে আটকে তৈরি হয় পুরো ঢাকা মাস্ক। ছেলের এই কর্মকাণ্ডে সামিল অয়নের বাবা ও মা। বর্তমানে এখন তারাই অয়নের এই কাজের সঙ্গী।
বাবা অঞ্জন ঘোষ ফুটবল কোচিং করান, করোনায় দৌলতে মাঠ যাওয়া নিষেধ। মা রীনা ঘোষ রেল কর্মী,  লকডাউনে ঘর বন্দী হলেও ছেলের কাজ আর বাড়ির রান্নায় খুবই ব্যাস্ত ঘোষ দম্পতি। এই মাস্কগুলো বর্তমানে বাজারমূল্য চল্লিশ টাকা হলেও পুরোপুরি বিনামূল্যে তা দিয়ে যাচ্ছেন অয়ন ঘোষ। তিনি জানাচ্ছেন, উপার্জন অনেক সময় হয় কিন্তু এটাও এক ধরনের সমাজসেবা সেটাই করছি। অয়নের এই কাজের সঙ্গী প্রশংসা মিলেছে অনেক, তার সঙ্গে চাহিদাও বেড়েছে।  এবার সেই চাহিদার জন্য বেশ কিছু বন্ধুও হাত ধরেছে অয়নের। SuSobhan Bhattacharya
Published by: Elina Datta
First published: April 21, 2020, 11:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर