বছরের শেষ দিনে বিরাট ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

গোটা পৃথিবীর মধ্যে ভারতেই সবথেকে দ্রুত গতিতে করোনার টিকাকরণের কাজ চলছে৷ রবিবার মন কি বাত- এ এমনই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

গোটা পৃথিবীর মধ্যে ভারতেই সবথেকে দ্রুত গতিতে করোনার টিকাকরণের কাজ চলছে৷ রবিবার মন কি বাত- এ এমনই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

ভারত কবে পাবে করোনার ভ্যাকসিন বা কোভ্যাকসিন? এই একটা প্রশ্নই দেশবাসীকে ভাবিয়েছে৷ অবশেষে বছরের শেষ দিনে সুখবরটা দিলেন নরেন্দ্র মোদি৷ দেশের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন টিকাকরণের প্রস্তুতি শেষ ধাপে৷ ভারতে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনই পাবে দেশবাসী৷

  • Share this:

    #রাজকোট: আজ ৩১ ডিসেম্বর৷ বিষে'র বিশ সালের শেষ দিন৷ আর কয়েক ঘণ্টা পরেই ২০২১-কে স্বাগত জানাবে বিশ্ব৷ নতুন ভোরে স্বপ্ন দেখার হবে শুরু৷ গোটা বছরটাই প্রায় করোনা মহামারীর গ্রাসে চলে গিয়েছিল৷ সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক৷

    আর এই বছর শুধু মাত্র করোনা টিকার অপেক্ষায় দিন গুনেছে পৃথিবী৷ অবশেষে ইউরোপের বেশ কিছু দেশে করোন টীকাকরণ শুরুও হয়েছে৷ ভারত কবে পাবে করোনার ভ্যাকসিন বা কোভ্যাকসিন? এই একটা প্রশ্নই দেশবাসীকে ভাবিয়েছে৷ অবশেষে বছরের শেষ দিনে সুখবরটা দিলেন নরেন্দ্র মোদি৷ দেশের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন টিকাকরণের প্রস্তুতি শেষ ধাপে৷ ভারতে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনই পাবে দেশবাসী৷

    বৃহস্পতিবার গুজরাতের রাজকোটে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটস অফ মেডিক্যাল সাইন্সেস (এইমস)-এর শিলান্যাস করলেন মোদি৷ তিনি বললেন, " দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন কমছে৷ ভারতে কোভিড-১৯ এর টীকাকরণের প্রস্তুতির শেষ পর্যায়৷ দেশের মানুষ ভারতে তৈরি হওয়াই টীকা পাবে৷ চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে দেশের প্রতিটি কোনায় এই টীকা পৌঁছে দেওয়া যায়৷ আমরা চেষ্টা করছি আগামী বছর বিশ্বের সবচেয়ে বড় করোনা টীকাকরণ কর্মসূচি চালনোর৷ ২০২০ আমাদের শিখিয়ে দিয়েছে যে, স্বাস্থ্যই সম্পদ৷ ভীষণ চ্যালেঞ্জিং একটা বছর ছিল এটা৷ আগে আমি বলেছিলাম যে, দাওয়াই নেই তো ঢিলাই নেই৷ ( বাংলায় মমার্থ করলে দাঁড়ায়, ওষুধ না পাওয়া পর্যন্ত হালকা ভাবে নেওয়া যাবে না করোনাকে) ২০২১-এ আমাদের মন্ত্র দাওয়াই ভি অউর কড়াই ভি (বাংলায় মমার্থ করলে দাঁড়ায়, ওষুধও থাকবে, সতর্কতাও থাকবে৷

    ভারতে সেরাম ইনস্টিটিউট 'কোভিশিল্ড' (করোনার টিকা) তৈরি করছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ফার্মা মেজর অ্যাস্ট্রাজেনকা পরামর্শ নিয়ে৷ ভারত বায়োটেক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সি অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) এই টিকা নিয়ে আসবে বাজারে৷

    এই মুহূর্তে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে৷ শুক্রবার বিশেষজ্ঞদের প্যানেল ফের বৈঠক হবে৷ তাঁরা সবুজ সঙ্কেত দিলেই তা চলে যাবে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া-র(ডিসিজিআই) কাছে৷ এটাই শেষ ধাপ৷ সরকার চাইছে আগামী মাস থেকেই করোনার টীকাকরণ শুরু করে দিতে৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published: