corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার জেরে ইন্দো-নেপাল সীমান্তে বাণিজ্য তলানিতে !

করোনার জেরে ইন্দো-নেপাল সীমান্তে বাণিজ্য তলানিতে !

পানিট্যাঙ্কিতে অন্যান্য দিন তিল ধারণের জায়গা থাকে না। কিন্তু করোনা আতঙ্কে কার্যত ফাঁকা পানিট্যাঙ্কি বাজার।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা আতঙ্কে বড় সড় ধাক্কা সীমান্ত বাণিজ্যে। ভারত-নেপাল সীমান্তের এপারের পানিট্যাঙ্কি বা ওপারের ধুলাবাড়ি, কাঁকড়ভিটার বাজার মন্দা। সীমান্ত সিল করে দেওয়া হবে এই আতঙ্কও গ্রাস করেছে দুই দেশের সীমান্তের বসবাসকারীদের মধ্যে। সীমান্ত বন্ধ হলে রেশন ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়বে পূর্ব নেপালের বড় অংশে।

কেননা ওই এলাকার বড় অংশ প্রতিদিনই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সামগ্রী কিনতে আসে এপারের পানিট্যাঙ্কি, শিলিগুড়িতে। সীমান্ত বন্ধ হলে তার জেরে এপারের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা মার খাবে। আজ, শনিবার দিনভর নেপালের বাসিন্দাদের চোখে মুখে ছিল চাপা আতঙ্ক। নেপালে শনিবার সরকারী অফিস ছুটি থাকে। স্বপরিবারে সাপ্তাহিক বাজার মজুত করতে তারা চলে আসে ভারতীয় সীমান্তে।

পানিট্যাঙ্কিতে অন্যান্য দিন তিল ধারণের জায়গা থাকে না। কিন্তু করোনা আতঙ্কে কার্যত ফাঁকা পানিট্যাঙ্কি বাজার। ব্যস্ততা তেমন চোখে পড়েনি। ব্যবসায় মন্দার ছবি ধরা পড়েছে। যেখানে বড় বড় দোকানে শনিবারে দেড় থেকে দু'লাখ টাকার ব্যবসা হয়। সেখানে হাজার দেড়-দুইয়ে দাঁড়িয়েছে। চিন্তার ভাঁজ কপালে। একেই ভিন দেশী পর্যটকের দেখা নেই। এবারে সীমান্ত বন্ধ হলে বাণিজ্য গিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা বুঝতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। নেপাল থেকে আজও ওখানকার বাসিন্দারা রেশন সংগ্রহে আসে এপারে। যে যতটা পেরেছে পণ্য সামগ্রী মজুত করে দেশে ফিরেছে। সীমান্ত বন্ধ হলে মুশকিলে পড়তে হবে নেপালের বাসিন্দাদের। নেপাল থেকে আসা বাসিন্দারা জানায়, তাদের দেশে এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম বেশি। আবার সব কিছু মেলেওনা।  করোনা আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে তাদের।

অন্যদিকে পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, ব্যবসায় বড়সড় প্রভাব পড়বে। ইতিমধ্যেই মন্দা দেখা দিয়েছে। সব ব্যবসায়ীদেরই একই অবস্থা। পানিট্যাঙ্কির এক মুদি ব্যবসায়ী প্রেম কুমার রাওয়াত জানান, গত দু'দিনের তুলনায় আজ কিছুটা ব্যবসা হয়েছে। যদিও তা বলার মতো কিছু নয়। নেপালের বাসিন্দা মঞ্জু রাই জানান, খাদ্য সামগ্রী মজুত করতেই এপারে আসা। মঞ্জুদেবীর মতো অনেকেই আজ দিনভর পণ্য সামগ্রী নিয়ে ফিরেছেন নিজেদের দেশে।

Partha Pratim Sarkar

First published: March 14, 2020, 10:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर