corona virus btn
corona virus btn
Loading

সৎকারের পর দু' বার এল করোনা রোগীর সুস্থতার খবর, চূড়ান্ত হয়রান পরিবার

সৎকারের পর দু' বার এল করোনা রোগীর সুস্থতার খবর, চূড়ান্ত হয়রান পরিবার
প্রতীকী চিত্র৷

হাসপাতাল থেকে মাত্র দু' জনকে মৃতদেহ সৎকারের সময় সঙ্গে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়৷ পিপিই পরা অবস্থায় মৃতদেহের মুখও পরিবারের সদস্যরা দেখতে পাননি৷

  • Share this:

#আহমেদাবাদ: পিপিই পরা অবস্থায় করোনা আক্রান্তের দেহ সৎকার করে এসেছিলেন পরিবারের সদস্যরা৷ মৃতের মুখও ভাল করে দেখতে দেওয়া হয়নি তাঁদের৷ শোকে মূহ্যমান পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ফেরার পর থেকেই বিভ্রান্তির সূত্রপাত৷ হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হল, রোগীর করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে৷ তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে৷ আবার হাসপাতালে গিয়ে রোগীর পরিবার জানলেন, ফোন ভুল খবর দেওয়া হয়েছে৷ ওই রোগীর মৃত্যুই হয়েছে৷

এক নয়, একাধিকবার এভাবেই করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির পরিবারকে হাসপাতাল থেকে ফোন করে এভাবেই বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠল আহমেদাবারে সিভিল হাসপাতালের বিরুদ্ধে৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ তাঁদের দাবি, ওই রোগীর মৃত্যুই হয়েছে৷ কীভাবে ফোনে বার বার তাঁর জীবিত থাকার দাবি করা হলো, তা তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷

জানা গিয়েছে, আহমেদাবাদের নিকোল এলাকার বাসিন্দা দেবরাম ভাই-কে গত ২৮ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ তাঁর শরীরে ডায়াবেটিজের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল৷ তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষার পর ফলাফল পজিটিভ আসে৷

২৯ মে সকাল ১১ টায় ভিডিও কলে হাসপাতাল থেকে পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে দেবরামের সঙ্গে তাঁর পরিবারের কথা বলানো হয়৷ তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়৷ কিন্তু বেলা ২টোর সময় ফের হাসপাতাল থেকে ফোনে জানানো হয়, রোগীর অবস্থার অবনতি হয়েছে৷ রোগীর পরিজনরা হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই ফোনে জানানো হয়, ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷

হাসপাতাল থেকে মাত্র দু' জনকে মৃতদেহ সৎকারের সময় সঙ্গে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়৷ পিপিই পরা অবস্থায় মৃতদেহের মুখও পরিবারের সদস্যরা দেখতে পাননি৷

মৃতদেহ সৎকারের পরের দিন ৩০ মে হাসপাতালের কন্ট্রোল রুম থেকে ওই রোগীর পরিবারকে ফের ফোন করা হয়৷ জানানো হয়, দেবরামের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে এবং তাঁকে জেনারেল ওয়ার্ডে শিফট করা হয়৷ এমন কী, তাঁকে বাড়িতেও নিয়ে যাওয়া যাবে বলে জানানো হয়৷

স্বভাবতই এই খবরে আকাশ থেকে পড়েন পরিবারের সদস্যরা৷ তবুও প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আশায় হাসপাতালে পৌঁছন তাঁরা৷ কিন্তু সেখানে আর একদফা ধাক্কা অপেক্ষা করছিল তাঁদের জন্য৷ হাসপাতাল থেকে তাঁদের বলা হয়, দেবরাম মারাই গিয়েছেন৷ তাঁর সৎকারও হয়ে গিয়েছে৷ ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা এই হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়ে হাসাপাতাল থেকে ফিরে আসেন৷ অভিযোগ এর পর ওই হাসপাতাল থেকে ফের ওই রোগীর বাড়িতে ফোন আসে৷ এবার বলা হয়, রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ তাঁকে দু' দিনের মধ্যেই ছুটি দেওয়া হবে!

এবার বাধ্য হয়েই বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের সুপারের দ্বারস্থ হন দেবরাম ভাইয়ের পরিবার৷ হাসপাতালের তরফে ক্ষমাও চান তিনি৷ কিন্তু কে বা কারা বার বার ওই পরিবারকে ফোন করে বিভ্রান্ত এবং হয়রান করল, তা এখনও রহস্যই রয়ে গিয়েছে৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 31, 2020, 6:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर