ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৭ ! এদেশ যেন ইতালি না হয়

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৭ ! এদেশ যেন ইতালি না হয়

হাতে আর মাত্র তিরিশ দিন। বড় বিপদ এড়াতে দেশজুড়ে এখন চরম সতর্কতা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাস সংক্রমণে ভারত যেন ইতালি না হয়। তার জন্য হাতে আর মাত্র তিরিশ দিন। বড় বিপদ এড়াতে দেশজুড়ে এখন চরম সতর্কতা।

তেলেঙ্গানায় আরও ৫ জন করোনা আক্রান্ত। পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাদের বলে জানা গিয়েছে। করোনা সংক্রমণ সন্দেহে ইতিমধ্যেই ৫৭০০ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের প্রতিটি মন্ত্রকে থার্মাল স্ক্যানার লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রবেশের সময়েই যাতে প্রাথমিক পরীক্ষা করা যেতে পারে। ইতালি থেকে ভারতে ফেরা ১২৮ জনের মধ্যে দু’জনের শরীরে মিলেছে COVID-19-র জীবাণু।

করোনা সংক্রমণে ভারত এখন দ্বিতীয় ধাপে ৷ তৃতীয় ধাপে যাতে না পৌঁছয় ৷ সেটা রোখাটাই এখন লক্ষ্য ৷ হাতে রয়েছে আর মাত্র এক মাস। গুনে গুনে তিরিশ দিন। এর মধ্যেই যা করার করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের পরিস্থিতি যাতে চিন বা ইতালির মতো না হয় তার জন্য আগামী ৩০ দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ ৷ চতুর্থ বা পঞ্চম সপ্তাহেই ভয়াবহ ভাবে এই ভাইরাস সংক্রমণের নজির রয়েছে।  ভারতে যাতে তা না হয় সেই লক্ষ্যেই দেশজুড়ে চরম সতর্কতা।  ভারত এখন করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাপে ৷ অর্থাৎ চিন, ইতালি, ইরানের মতো আক্রান্ত দেশ থেকে যাঁরা সংক্রমিত হয়ে ফিরেছেন তাঁদের থেকে এ দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা একশো ছাড়ালেও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি বলেই দাবি ৷ কিন্তু সংক্রমণের হার যাতে এখানেই আটকানো যায় তার জন্য ব্যাপক সতর্কতা জরুরি ৷ বিশেষজ্ঞরা যাকে বলেন ‘ফ্ল্যাটনিং দ্য কার্ভ’।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের চারটি ধাপ। প্রথম ধাপে সংক্রমণ একটি দেশেই সীমাবদ্ধ ৷ ভারত দ্বিতীয় ধাপে। দ্বিতীয় ধাপে অন্য দেশ থেকে আসা আক্রান্তদের থেকে স্থানীয়দের মধ্যে সংক্রমণ তৃতীয় ধাপে রোগ যখন কোনও সম্প্রদায় বা বড় কোনও এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফ্রান্স এই তৃতীয় ধাপে। রোগ মহামারীর চেহারা নিলে এবং সংকট চরমে উঠলে সেটা চতুর্থ ধাপ। চিন ও ইতালি এই চতুর্থ ধাপে।ইতালিতে দেখা গিয়েছে অতি দ্রুত হারে সংক্রমণ বেড়েছে।

ইতালিতে প্রথম সপ্তাহে আক্রান্ত হন ৩ জন ৷ পরের সপ্তাহেই ১৫২ ৷ তার পরের সপ্তাহে ১ হাজার ৩৬ ৷ চতুর্থ সপ্তাহে ৬ হাজার ৩৬২ ৷ পঞ্চম সপ্তাহে ২৭ হাজার ৯৮০ ৷ আক্রান্তের সংখ্যার গ্রাফে এই লম্বা লাফ আটকানোর নামই ‘ফ্ল্যাটনিং দ্য কার্ভ’। সেটাই করতে চাইছে ভারত। লক্ষ্যবএক বছরে এক লক্ষ আক্রান্ত হতে পারে কিন্তু এক মাসে যেন এক লক্ষ আক্রান্ত না হন কারণ তেমন হলে দেশের চিকিৎসা পরিকাঠামোয় অত রোগী সামলানো যাবে না ৷ যেমনটা ঘটেছে ইতালিতে ৷

First published: March 17, 2020, 6:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर