Malda: নদীপথে ভেসে আসছে করোনার মৃতদেহ! সরকারি নির্দেশে এবার সতর্কতা মালদহে

গঙ্গায় নদীপথে ভেসে আসা একাধিক দেহ ঝাড়খন্ড হয়ে মালদহের মানিকচকে আসতে পারে বলে খবর প্রশাসন সূত্রে। ওই দেহগুলি নদী থেকে তুলে যাতে সৎকার করা যায়, তার প্রস্তুতি এবার নেওয়া হচ্ছে মালদহে।

গঙ্গায় নদীপথে ভেসে আসা একাধিক দেহ ঝাড়খন্ড হয়ে মালদহের মানিকচকে আসতে পারে বলে খবর প্রশাসন সূত্রে। ওই দেহগুলি নদী থেকে তুলে যাতে সৎকার করা যায়, তার প্রস্তুতি এবার নেওয়া হচ্ছে মালদহে।

  • Share this:

সেবক দেবশর্মা, মালদহ:- উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে নদীতে ফেলে দেওয়া করোনা রোগীদের দেহ ভেসে আসার সম্ভাবনায় প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু মালদহে। গঙ্গায় নদীপথে ভেসে আসা একাধিক দেহ ঝাড়খন্ড হয়ে মালদহের মানিকচকে আসতে পারে বলে খবর প্রশাসন সূত্রে। ওই দেহগুলি নদী থেকে তুলে যাতে সৎকার করা যায়, তার প্রস্তুতি এবার নেওয়া হচ্ছে মালদহে।

রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে এ নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে মালদহ জেলা ও মানিকচক ব্লক প্রশাসন। জানা গিয়েছে, মানিকচকে গঙ্গা নদী পথে ভেসে আসা দেহগুলি আটকানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দেহগুলি নদীপথে ভেসে গিয়ে যাতে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে তার জন্যই রাজ্য প্রশাসনের এই পদক্ষেপ। মালদহে মানিকচকে দেহগুলোকে তুলে কোভিড বিধি মেনে সৎকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, মালদহের মানিকচক ঘাট এলাকায় গঙ্গা নদী প্রায় এক কিলোমিটার চওড়া। এর আগে ঝাড়খন্ডের জলপথ পেরিয়ে মালদহের মানিকচকের গদাইচর এলাকায় গঙ্গা নদী তুলনামূলকভাবে চওড়ায় অনেক কম।

এই জন্য প্রশাসন গদাইচর এলাকায় বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে। ওই এলাকায় গঙ্গা নদীর তুলনামূলক কম চওড়া হওয়াতে সহজে নদীপথে ভেসে আসা দেহগুলিকে আটকানো যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গঙ্গায় ভেসে আসা করোনার মৃতদেহগুলি যাতে নজর এড়িয়ে চলে না যায় এর জন্য অন্ধকারেও নজরদারি চালাতে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া স্পিডবোট, প্রশিক্ষিত ডুবুরি, এমনকি জেলে-মাঝিদেরও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে জলপথে নজরদারি জন্য।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর এবং বিহারের বক্সায় করোনা আক্রান্তদের মৃতদেহ সঠিকভাবে সৎকার না করেই নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় হয়। বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে আসে নদীতে ভেসে ওঠা সারি সারি মৃতদেহের ছবি। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিভিন্ন অংশের মানুষ। নদীপথে ওই দেহগুলি এ রাজ্যের মালদহে বৃহস্পতিবার এসে পৌঁছতে পারে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ। তাই সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেও মনে করছে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ।

Sebak Deb Sharma

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: