corona virus btn
corona virus btn
Loading

লক ডাউনের জেরে বাজার থেকে উধাও মুড়ি , মনমরা দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা

লক ডাউনের জেরে বাজার থেকে উধাও মুড়ি , মনমরা দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা

লক ডাউনের ঘোষণা হতেই মুদিখানা দোকানগুলিতে চাল ডালের সঙ্গে মুড়ি সংগ্রহের হিড়ক পড়ে যায়।

  • Share this:

#বর্ধমান: মুড়ি ছাড়া দিন চলে না বর্ধমান বীরভূম হুগলি বাঁকুড়ার বাসিন্দাদের।  লক ডাউন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই সেই মুড়ির আকাল দেখা দেওয়ায় মনমরা বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, সকাল সন্ধে মুড়ি খাওয়া বেশির ভাগেরই অভ্যাস। তাই সেই মুড়ি না মিললে কিভাবে দিন কাটবে তা বুঝে উঠতে পারছেন না অনেকেই।

লক ডাউনের ঘোষণা হতেই মুদিখানা দোকানগুলিতে চাল ডালের সঙ্গে মুড়ি সংগ্রহের হিড়ক পড়ে যায়। অনেকেই দু তিন প্যাকেট করে মুড়ি কিনেছেন। ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই মুড়ি শেষ হয়ে যায়। বুধবার বিকেল পর্যন্ত অনেক দোকানেই মুড়ির যোগান নেই। তাই মুড়ি পেতে দোকানে দোকানে ঘুরছেন অনেকেই। বাসিন্দারা বলছেন, অনেকেই মুড়িতেই প্রাতরাশ সারেন। আবার সন্ধ্যায় এক বাটি মুড়ি খান। দুপুরে রাতে ভাত বা একবেলা ভাত রাতে রুটি। গড়পরতা পুরুষ মহিলার এটাই খাবারের রোজ নামচা। সেই মুড়ি না মেলায় সমস্যায়  পড়েছেন অনেকেই।

আগে গ্রাম বাংলায় বাড়িতে বাড়িতে মুড়ি ভাজা হতো। কিন্তু এখন সেই চল আর নেই। এখন মুড়ি কিনে খেতেই অভ্যস্ত সকলে। বাসিন্দাদের চাহিদার কারনে বর্ধমানে বেশ কয়েকটি মুড়ি কারখানা রয়েছে। সেই কারখানাগুলি থেকে দোকানে দোকানে মুড়ি আসে। লক ডাউনের কারণে বন্ধ মুড়ি কারখানাগুলি। সেখানে একসঙ্গে অনেকে কাজ করে। তা থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে। লক ডাউনের কারনে শ্রমিকরা যেতেও পারছে না। তার ওপর জেলা প্রশাসন রাইস মিল সহ সব কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তাই উৎপাদন না হলে মুড়ির যোগান স্বাভাবিক হবে না- এমন আশংকা থেকেই যাচ্ছে।

বাসিন্দারা বলছেন, মুড়ি দক্ষিণ বঙ্গের নিত্য  প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মধ্যে অন্যতম। খাদ্য প্রক্রিয়া করণ শিল্প জেলা শাসকের অনুমতি সাপেক্ষে চালু রাখা যায়। তাই বাসিন্দারা যাতে প্রয়োজনের এই খাদ্য সামগ্রী পায়, বাজারে যাতে তার সরবরাহ ঠিক থাকে তা দেখুক প্রশাসন। অন্যান্য টিফিন তৈরিতে  সময়ও লাগে। মুড়িতে সেসবের ব্যাপার নেই। এই টিফিনের খরচও অনেক কম। সহজ পাচ্য হওয়ায় বয়স্কদের অনেকে রাতে ভাত রুটির বদলে নিয়মিত মুড়ি খান। অনেকে অসুস্থতার সময় মুড়ির ওপর নির্ভরশীল। মুড়ি না মিললে অনেকেই সমস্যায় পড়বেন।

Saradindu Ghosh

First published: March 26, 2020, 12:11 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर