corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউন কি? দেখতে রাস্তায় নামল লোক

লকডাউন কি? দেখতে রাস্তায় নামল লোক

পুলিশকে আরও কড়া হতে হবে বলছে গৃহ বন্দী মানুষেরা। নইলে বিপদ। রাজ্য এবং কেন্দ্র বার বার বলছে বাড়ির বাইরে আর নয়।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা মোকাবিলায় দেশ জুড়ে লকডাউনের প্রথম দিনের সকালে ভালোই প্রভাব পড়েছে শিলিগুড়িতে। কিছু লোক বাইরে বেড়িয়েছিল। তবে গতকালের তুলনায় আজ অনেক কম। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউই তেমন বের হননি। অন্তত মহাত্মা গান্ধী মোড়, হাসমি চক, বিধান মার্কেট, সুভাষপল্লি বাজারেও তুলনায় কম ভিড়ই ছিল। রাস্তাঘাট ছিল শুনশান। তবে অলি গলির চেহারা পালটাতে হবে। পুলিশকে আরো সক্রিয় হতে হবে। বাইরে বের হলেই সাইকেল, বাইক, চার চাকার গাড়ি দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জরুরী কাজের নথি দেখালেই মিলছে গন্তব্যে পৌঁছনোর অনুমতি।

করোনা মোকাবিলায় মানুষে মানুষে মেলামেশা বন্ধ করতেই হবে। এটাই একমাত্র ওষুধ। আর তাই প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ২৭ মার্চের পরিবর্তে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করেন। তারপর গতকাল রাত ৮টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোটা দেশ জুড়ে ১৪ এপ্রিল মাঝ রাত পর্যন্ত লকডাউন। বুধবার ভালোই প্রভাব পড়েছে শহরে। তবুও কিছু অতি উৎসাহী মানুষ লকডাউন কি? তা দেখতে বের হয়।

পুলিশকে আরও কড়া হতে হবে বলছে গৃহ বন্দী মানুষেরা। নইলে বিপদ। রাজ্য এবং কেন্দ্র বার বার বলছে বাড়ির বাইরে আর নয়। নিজেদের বাঁচাতে, সমাজকে বাঁচাতে নিজেদের ঘর বন্দী রাখুন। যারা এখনও বের হচ্ছেন তারা আর কবে সতর্ক হবে? প্রশ্ন শহরবাসীর। এক্ষেত্রে কড়া দাওয়াই হতে পারে একমাত্র পুলিশের সক্রিয়তা। লাখো লাখো লোকের যে শহরে প্রতিদিন আনাগোনা। সেই শহর আজ নিস্তব্ধ! বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবিটা আরো পরিস্কার হয়ে যায়। চারদিক ধু ধু করছে। যেদিকে চোখ যায়, ফাঁকা আর ফাঁকা। এদিকে আজও জটলা এড়াতে শহর জুড়ে চলে মাইকিং। পুলিশও বহু জায়গায় হানা দেয়। তবে লকডাউনের প্রথম দিনে যে ছবি দেখলো শহর শিলিগুড়ি, তা যেন একই থাকে আগামী ২০ দিন। এটাই আর্জি ঘর বন্দীদের।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Elina Datta
First published: March 25, 2020, 11:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर