corona virus btn
corona virus btn
Loading

মুড়ি-পাউরুটি অমিল, ব্রেকফাস্ট-টিফিনে খাব কী? লকডাউনে গভীর চিন্তায় বাংলা !

মুড়ি-পাউরুটি অমিল, ব্রেকফাস্ট-টিফিনে খাব কী? লকডাউনে গভীর চিন্তায় বাংলা !

তিন দিন ধরেই শহরে মুড়ির আকাল চলছে। বেশির ভাগ মুদিখানার দোকানেই মুড়ি নেই। পাউরুটির যোগানও বন্ধ। ফলে সমস্যায় অনেকেই।

  • Share this:

#বর্ধমান: লক ডাউনের জেরে বৃহস্পতিবারও মুড়ি অমিল বর্ধমানে। যোগান নেই পাঁউরুটিরও। মুদিখানা দোকানে আটারও যোগান কম। সব মিলিয়ে দুর্ভোগ বাড়ছে বাসিন্দাদের। তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, রাজ্যের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলায় খাদ্যের কোনও ঘাটতি নেই। অনেকে আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি সামগ্রী বাড়িতে মজুত করে ফেলায় কিছু কিছু এলাকায় সাময়িক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। উদ্বিগ্ন না হয়ে বাড়িতে থাকুন। প্রয়োজন হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পাড়ার দোকান থেকে খাদ্য সামগ্রী কিনে নিন। বাড়তি মজুতের প্রয়োজন নেই।

বৃহস্পতিবার বর্ধমানের মুদিখানা দোকানগুলিতে ভিড় তুলনামূলক কম ছিল। যারা দোকানে গিয়েছেন দাঁড়িয়েছেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই। অনেক জায়গায় বিক্রেতারাই দূরে দূরে ক্রেতাদের দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তিন দিন ধরেই শহরে মুড়ির আকাল চলছে। বেশির ভাগ মুদিখানার দোকানেই মুড়ি নেই। পাউরুটির যোগানও বন্ধ। ফলে সমস্যায় অনেকেই। আবার অনেকে রাস্তার মোড়ের দোকানে তৈরি করা রুটি কিনে রাতের খাবার সারেন। তাঁরা পড়েছেন বিপাকে। অনেকে হোম ডেলিভারির ওপর নির্ভরশীল। লক ডাউনের জেরে অনেক ব্যবসায়ী রান্না করা খাবার হোম ডেলিভারি বন্ধ রেখেছেন। তাদের ওপর নির্ভরশীল বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লক ডাউনের জন্য অনেক বেকারি বন্ধ। তার জেরে পাউরুটি তৈরি থমকে গিয়েছে। সেখানে এক সঙ্গে অনেক শ্রমিক কাজ করেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কায় সেগুলি বন্ধ। তার ফলে পাউরুটির পাশাপাশি টিফিন কেক, বিস্কুট তৈরিও বন্ধ। বিভিন্ন দোকানে বেকারিগুলি থেকে এইসব সামগ্রী নিয়মিত সরবরাহ হয়। সব দোকান বন্ধ। তাই উৎপাদন বন্ধ রেখেছে অনেক বেকারি। আবার শ্রমিকের অভাবে বন্ধ হয়ে রয়েছে মুড়ি কারখানাও। তাই চাহিদা থাকলেও মুড়ি পাচ্ছেন না বাসিন্দারা। তারা বলছেন, সকাল সন্ধে মুড়িতে অভ্যস্ত অনেকেই। পাউরুটিও মিলছে না। তাই লাঞ্চ ডিনারের বাইরে সকাল সন্ধে টিফিনের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে গৃহিনীদের।

Saradindu Ghosh

First published: March 26, 2020, 8:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर