corona virus btn
corona virus btn
Loading

Coronavirus Lockdown পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩ ট্রমা অ্যাম্বুলেন্স, ২ লাইফ সেভিং মেডিসিন গাড়ি প্রস্তুত 

Coronavirus Lockdown পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩ ট্রমা অ্যাম্বুলেন্স, ২ লাইফ সেভিং মেডিসিন গাড়ি প্রস্তুত 

চালক, সহ-চালক সঙ্গে করোনা সন্দেহভাজন রোগীর কোনওরকম সংক্রমণ না হয় তাই বিশেষ পলিথিন পর্দা গাড়িগুলিতে ব্যবহার করা হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩ ট্রমা অ্যাম্বুলেন্স, ২ লাইফ সেভিং মেডিসিন গাড়ি প্রস্তুত। লকডাউনে সারা দেশ। লকডাউনে আমাদের রাজ্য। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ২০০০ বেশি ছোট বড় গাড়ি প্রস্তুত রোগী পরিষেবা দিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু গাইডলাইন মেনে অ্যাম্বুলেন্সে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে স্বাস্থ্য পরিবহন বিভাগের তরফে।

চালক, সহ-চালক সঙ্গে করোনা সন্দেহভাজন রোগীর কোনওরকম সংক্রমণ না হয় তাই বিশেষ পলিথিন পর্দা গাড়িগুলিতে ব্যবহার করা হয়েছে।  স্বাস্থ্য পরিবহন বিভাগের এসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট শান্তনু চৌধুরীর কথায়, " বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা মেনে এই বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে এম্বুলেন্স গুলিতে। উদ্দেশ্য একটাই সংক্রমণ কোনভাবেই যাতে ছড়িয়ে না পড়ে। এমন কয়েক ডজন বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।" করোনা পজিটিভ  কেসের পেসেন্টদের পরিবহনের জন্য ২৩ বেশি ট্রমা অ্যাম্বুলেন্স তৈরি রেখেছে রাজ্য। ইতিমধ্যে জেলার হাসপাতালগুলিতে ট্রমা অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এই ট্রমা এম্বুলেন্স-এর সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান শান্তনু বাবু। লাইফ সেভিং মেডিসিন কার ২ টি প্রস্তুত রেখেছে রাজ্য। বিভিন্ন জীবনদায়ী ওষুধ এয়ারকন্ডিশন পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্যের অন্যত্র পাঠাতে হলে এই গাড়ির ব্যবহার করা হবে। জেলার হাসপাতালগুলোতে ইতিমধ্যেই পর্যাপ্ত ওষুধ মজুত রয়েছে। করণা উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবিলায় জেলাগুলিতে আরও বেশি বেশি ওষুধ পাঠানো শুরু হয়েছে সেন্ট্রাল স্টোর থেকে। দিন-রাত এক করে এই মুহূর্তে স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। জরুরী পরিষেবার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের যাতায়াতে পুলিশি সমস্যায় যাতে আর না পরতে হয় তার জন্য  মুখ্যমন্ত্রী। ঘোষণা করেছেন বিশেষ পুলিশ পাশের। দমদম বিমানবন্দর এলাকা থেকে উত্তর কলকাতায় ওষুধের দোকানে কাজে আসেন বীরেশ্বর মন্ডল।

 বীরেশ্বর বাবুর মতন অনেক ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ পুলিশ পাশের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। বীরেশ্বর মন্ডল জানাচ্ছেন, " সুকিয়া স্ট্রিট-এ তাঁদের ওষুধের দোকান। বুধবার ৩ ঘন্টা লাইন পেরিয়ে ওষুধ নিতে হয়েছে ক্রেতাদের। তবে সরবরাহকারী সংস্থা'র ওষুধের জোগানে সমস্যা তৈরি হচ্ছিলো কর্মী অভাবে। বিশেষ পুলিশ পাশের ব্যবস্থা হওয়ায় জরুরী পরিষেবা এখন থেকে আরও মসৃণ হবে।"

Arnab Hazra

First published: March 25, 2020, 11:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर