corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোন পথে শরীরে ঢুকছে মারণ করোনাভাইরাস! আবিষ্কার করে ফেললেন বিজ্ঞানীরা

কোন পথে শরীরে ঢুকছে মারণ করোনাভাইরাস! আবিষ্কার করে ফেললেন বিজ্ঞানীরা
সংগৃহীত ছবি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই দু'লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই মারণ ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক নেই। কিন্তু কোন পথে ধুকছে ভাইরাস জানালেন বিজ্ঞানীরা।

  • Share this:

বিশ্বের ত্রাস করোনা ভাইরাস। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যেই দু'লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই মারণ ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক নেই। বিশেষজ্ঞদের দাবি, করোনা ভাইরাসের শরীরে প্রবেশ করছে নাক দিয়ে। এই কারণেই সংক্রমণ দ্রুতগতিতে একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে।

‘গবলেট’ এবং ‘সিলিয়াটেড’- নাকের দুই কোষের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। ওয়েলকাম স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউটের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি ‘নেচার মেডিসিন’ শীর্ষক জার্নালে “SARS-CoV-2 entry factors are highly expressed in nasal epithelial cells together with innate immune genes.” শীর্ষক গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, দুই কোষ ব্যবহার করেই করোনাভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে। এর আগে ২০০৩ সালে SARS মহামারীর সময় এই নাকের দুটি কোষের বিষয় উঠে এলে ঠিক কোন দু'টি কোষের জন্য ভাইরাসের গতি ত্বরান্বিত হয়, তা স্পষ্ট ছিল না। গবেষণা চলছিল। সেই গবেষণাতেই উঠে আসে ‘গবলেট’ এবং ‘সিলিয়াটেড’ কোষের নাম। এখানেই শেষ নয়। কোভিড-১৯-এর চিকিৎসার মাধ্যমে সংক্রমণ কমানোর সম্ভাব্য উপায়েরও উল্লেখ রয়েছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে কোন কোষগুলো ভূমিকা রাখে তা জানতে ‘সিঙ্গেল সেল আরএনএন সেকুয়েন্সিংয়ের’ একাধিক ‘হিউম্যান সেল অ্যাটলাস (এইচসিএ) কনসোর্টিয়াম ডেটাবেস’ নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সিম্পটম বা উপসর্গ আছে বা উপসর্গ নেই এমন এমন ধরনের মানুষের শরীর থেকে পৃথক পৃথকভাবে ২০ ধরনের টিস্যুর নমুনা সংগ্রহ করা হয় পর্যবেক্ষণের জন্য। টিস্যুগুলি মানুষের ফুসফুস, নাক, চোখ, অন্ত্র, হৃদযন্ত্র, লিভার এবং কিডনি থেকে সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণার নেতৃত্বে থাকা ওয়েলকাম স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউটের ড. ওয়ারাডন সাংনাক বলেন, “রিসেপ্টর প্রোটিন এসিই টু’ এবং ‘টিএমপিআরএসএস ২ প্রোটিয়েজ’ করোনাভাইরাস সংক্রমণে সহায়তা করে। আর এগুলি নাকের ভিতরের আবরণ ছাড়াও আরও শরীরের অনেক অঙ্গে ছড়িয়ে রয়েছে। পরে আমরা জানতে পারি শ্বাসতন্ত্রের সকল কোষের মধ্যে নাকের ‘মিউকাস’ সৃষ্টিকারী ‘গবলেট’ ও ‘সিলিয়াটেড’ কোষে এই দুই প্রোটিনের মাত্রা সর্বাধিক। অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে এই পথেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।”

নেদারল্যান্ডের ‘ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টার গ্রোনিংগেনের’ মার্টিজন নাওয়াইজন বলেন, ‘করোনা ভাইরাস কী ভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তাই অনুসন্ধান করছি। নাকের ভেতরের যে স্থানে এই কোষগুলো থাকে সেখানে ভাইরাসের পৌঁছে যাওয়া অত্যন্ত সহজ। আবার অন্যদের সংক্রমিত করতেও সেগুলো সহায়ক।’

গবেষকরা বলেন, “প্রধান দুটি ‘এন্ট্রি পয়েন্ট’, ‘এসিই টু’ ও ‘টিএমপিআরএসএস টু’, ‘কর্নিয়া’তে এবং অন্ত্রের ভেতরের আবরণেও থাকে। অর্থাৎ চোখ ও চোখের জলের গ্রন্থির মাধ্যমে করোনাভাইরাস মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হতে পারে। এমনকি মলের মাধ্যমে তা ছড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করা হচ্ছে না।"

First published: April 27, 2020, 9:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर