করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভ্যাকসিন এলেও মুক্তির উপায় নেই! হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবাধে ভাসছে করোনা ভাইরাস! উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা

ভ্যাকসিন এলেও মুক্তির উপায় নেই! হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবাধে ভাসছে করোনা ভাইরাস! উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা
সংগৃহীত ছবি

হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবাধে ভাসছে করোনা ভাইরাস। অর্থাৎ দেশের একাধিক হাসপাতালের ওয়ার্ডের বাতাসে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি এখন এক্কেবারে স্পষ্ট।

  • Share this:

#চণ্ডিগড়: করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাকসিন সরকারি ছাড়পত্র পেয়েছে নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া। তবুও সব সমস্যার সমাধান হয়নি। বিদেশ থেকে আসা নতুন স্ট্রেইন এখনও বিশেষজ্ঞদের মাথা ব্যাথার কারণ। আবার তারই মধ্যে সামনে এল ভয়ঙ্কর এক রিপোর্ট। যে রিপোর্টের জেরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলের পাশাপাশি দেশের বাসিন্দা মধ্যে।

কিন্তু কী সেই রিপোর্ট? জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবাধে ভাসছে করোনা ভাইরাস। অর্থাৎ দেশের একাধিক হাসপাতালের ওয়্যারদের বাতাসে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি এখন এক্কেবারে স্পষ্ট। Times of India-র প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হায়দরাবাদ এবং চণ্ডিগড়ের একাধিক হাসপাতালের এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সমীক্ষা পরিচালনা করে হায়দরাবয়াদের সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিক্যুলার বায়োলজি (CCMB) এবং চণ্ডিগড়ের ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোবিয়াল টেকনোলজি (IMT)। সেই সমীক্ষার রিপোর্টে পাওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, যে ওয়ার্ডে করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলছে, সেই সব ওয়ার্ডের বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, যে ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা যত বেশী, সেই ওয়ার্ডের বাতাসে ভাইরাসের উপস্থিতি ততোতাই বেশি। এক্ষেত্রে রোগী যতবেশী খোলামেলা অবস্থায় থাকবেন, তিনি ততবেশী ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাচ্ছেন।। এক্ষেত্রে একজন চিকিৎসাধীন রোগীর থেকে ২ মিটার দূরে পর্যন্ত বাতাসে ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সবটাই ঘটছে এসি বয়া ফ্যান থাকলে। সেক্ষেত্রে জপদি ফ্যান বয়া এসির মাধ্যমে এয়ারফ্লো না থাকে, তবে ভাইরাস ছড়াবে কম।

তবে কী হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের সংক্রমণের হাত থেকে মুক্তির কোনও উপায় নেই?  এভাবেই বারে বারে একের পর এক চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী সংক্রামিত হবেন?  হায়দরাবয়াদের সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিক্যুলার বায়োলজির অধিকর্তা রাকেশ মিশ্র জানিয়েছেন, "করোনা ভাইরাস খুব কম সময়ের জন্য বাতাসে বেঁচে থাকতে পারে। তাই আমরা যদি যথাযথ সতর্কতা অর্থাৎ হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলি, তবেই সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।  এই একই কথা জানিয়েছেন চণ্ডিগড়ের ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোবিয়াল টেকনোলজি (IMT) ডিরেক্টর সঞ্জীব খোসলা।

Published by: Shubhagata Dey
First published: January 6, 2021, 3:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर