• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পথের ক্লান্তি ভুলে প্যাডেলে পা-হ্যান্ডেলে হাত, করোনা আবহে সাইকেলই মানুষের প্রধান বাহন হয়ে উঠছে

পথের ক্লান্তি ভুলে প্যাডেলে পা-হ্যান্ডেলে হাত, করোনা আবহে সাইকেলই মানুষের প্রধান বাহন হয়ে উঠছে

২৫-এর যুবক যেমন সাইকেল নিয়ে কাজে পৌঁছচ্ছেন। তেমনি ৬০ বছর পেরিয়ে যাওয়া বৃদ্ধ সাইকেল চেপেই পেশার তাগিদে ছুটে যাচ্ছেন তিলোত্তমার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

২৫-এর যুবক যেমন সাইকেল নিয়ে কাজে পৌঁছচ্ছেন। তেমনি ৬০ বছর পেরিয়ে যাওয়া বৃদ্ধ সাইকেল চেপেই পেশার তাগিদে ছুটে যাচ্ছেন তিলোত্তমার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

২৫-এর যুবক যেমন সাইকেল নিয়ে কাজে পৌঁছচ্ছেন। তেমনি ৬০ বছর পেরিয়ে যাওয়া বৃদ্ধ সাইকেল চেপেই পেশার তাগিদে ছুটে যাচ্ছেন তিলোত্তমার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

  • Share this:

#কলকাতা: পথের ক্লান্তি ভুলে প্যাডেলে পা। হাত হ্যান্ডেলে। পায়ের পেশিতে জোর দিয়েই গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া। করোনা আবহে সাইকেলই মানুষের প্রধান বাহন হয়ে উঠছে। সকালে শহরের রাস্তায় চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে শয়ে শয়ে সাইকেল আরোহী চলেছেন নিজেদের গন্তব্যস্থলে। বছর ২৫-এর যুবক যেমন সাইকেল নিয়ে কাজে পৌঁছচ্ছেন। তেমনি ৬০ বছর পেরিয়ে যাওয়া বৃদ্ধ সাইকেল চেপেই পেশার তাগিদে ছুটে যাচ্ছেন তিলোত্তমার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

লকডাউন শেষে আনলক ওয়ান শুরু হয়েছে। সবকিছু খুলে গেলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি গণপরিবহণ। তাই কাজে যেতে ভরসা সাইকেল। কেউ নিউ ব্যারাকপুর থেকে আসছেন কলকাতা, কেউ মধ্যমগ্রাম থেকে যাবেন বেলেঘাটা, কেউ আবার বাগুইআটি থেকে বড়বাজার।দুর্দিনে বহু মানুষের সহায় সাইকেল। কিন্তু কেন সাইকেল ভরসা? আসলে রাস্তায় পর্যাপ্ত বাস নেই। যা আছে তাতে লাগামছাড়া ভাড়া বৃদ্ধি হয়েছে। নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না বেশিরভাগ বাসে। নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী থেকে বেশি যাত্রী নিয়ে চলছে বেসরকারি বাস। এমনকী, চালু হয়নি ট্রেন। তবে উপায় কি? অফিস খুলেছে। বেতন পেতে আর চাকরি বাঁচাতে যেকোনও উপায়ে পৌঁছতেই হবে। সমস্যার কথা অফিস তো আর শুনবে না। তাই অনেকেরই ভরসা এখন সাইকেল।

ভিআইপি রোড ধরে সাইকেল চালিয়ে যাওয়া এক যাত্রী জানালেন, "পকেটে এমনিতেই টান। বাসের ভাড়া বেশি তার মধ্যে সামাজিক দূরত্ব নেই। এত টেনশন নিয়ে অফিস যাওয়া যায় না। তাই সাইকেল।" কিছুক্ষণ পর দেখা মিলল বিমানবন্দর এলাকার দুই বাসিন্দার। দুই বন্ধুই ওষুধের ডিস্ট্রিবিউটর। একজন কাজ করেন সুখিয়া স্ট্রিটে, অপরজন আমহার্স্ট স্ট্রিটে। বাসের অপেক্ষায় না থেকে দু’জনই এখন সাইকেল নিয়ে কাজে যাচ্ছেন। কেউ আবার মধ্যমগ্রাম থেকে যাবেন বেলেঘাটা। রোদে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কষ্ট হলেও তো আর উপায় নেই। অনেকে তাই সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ছেন বাড়ি থেকে। বেশিরভাগ মানুষেরই সঙ্গে রয়েছে জল। এই টুকুই ভরসা। আর রাস্তায় বারকয়েক দাঁড়িয়ে একটু জিরিয়ে নেওয়া। খুব বেশি হলে চায়ে চুমুক। ছায়া দেখে গাছের নিচে বসে থাকা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফের প্যাডেলে পা। গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা। অটো, বাস বাইকের পাশ দিয়েই কোনরকমে এগিয়ে চলেছেন সাইকেল যাত্রীরা। প্রত্যেক সাইকেল আরোহীর দাবি, সরকারের উচিৎ এবার একটা সাইকেলের জন্য রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো সাইকেল রোড হোক মেন রাস্তার ধার ধরেই।

শুধু অফিসে যাওয়ার জন্য সাইকেল কেন। শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে সাইকেল চালাচ্ছেন অনেকে। সাইকেল চালালে শরীর চর্চা হয়ে যাচ্ছে। তাই পথের ক্লান্তি ভুলে প্যাডেলে পা। আসলে বাড়ির কোণে এতদিন পড়ে থেকে থেকে যাতে ধুলো-জং পড়ছিল, সেই সাইকেলই এখন অনেকের কাছে বড় ভরসা।

Eeron Roy Barman

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: