corona virus btn
corona virus btn
Loading

মালদহে করোনা পরিস্থিতি শোচনীয়! উত্তরবঙ্গে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এই জেলায়

মালদহে করোনা পরিস্থিতি শোচনীয়! উত্তরবঙ্গে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এই জেলায়
বাজারে সেই ঘেঁষাঘেঁষি

সোমবার সকাল থেকে ফের এক দফা লকডাউন শুরু হয়েছে মালদহে। ৪৮ ঘণ্টার জন্য লকডাউন ঘোষণা করে পুলিশ প্রশাসন। তবে সকাল ১০টা পর্যন্ত মাছ, মাংস ও সবজির বাজারে ছাড় দেওয়া হয় । আর এই সুযোগ নিতেই মালদহে বিভিন্ন বাজারে সোমবার সকাল থেকেই লোকজনের ভিড় উপচে পড়ে।

  • Share this:

#মালদহ: করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে মালদহে৷ গত ২৪ ঘন্টায় মালদহে নতুন করে করোনা সংক্রমিত হলেন আরও ৬৫ জন। এদের মধ্যে অন্তত ৪০ জন মালদহ শহরের বাসিন্দা। একইসঙ্গে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো প্রায় ১৭০০। উত্তরবঙ্গের মধ্যে এই মুহূর্তে মালদহে সংক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

নতুন করে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, দুই চিকিৎসক, আইনজীবী,দমকল কর্মী, জেলাশাসকের দফতর এবং পুলিশকর্মী রয়েছেন। এদিকে রাতে ঘোষণার পর আজ অর্থাত্‍ সোমবার সকাল থেকে ফের এক দফা লকডাউন শুরু হয়েছে মালদহে। ৪৮ ঘণ্টার জন্য লকডাউন ঘোষণা করে পুলিশ প্রশাসন। তবে সকাল ১০টা পর্যন্ত মাছ, মাংস ও সবজির বাজারে ছাড় দেওয়া হয় । আর এই সুযোগ নিতেই মালদহে বিভিন্ন বাজারে সোমবার সকাল থেকেই লোকজনের ভিড় উপচে পড়ে।

বেশিরভাগ ক্রেতারা মাস্ক পরে বাজারে গেলেও গা ঘেঁষে কেনাকাটা করার সময় সামাজিক দূরত্ব উধাও হয়ে যায়। একসময় মালদহের বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য গণ্ডি কেটে নিয়ম চালু হয়েছিল। গণ্ডির মধ্যে দাঁড়িয়ে একে একে বাজার করতেন ক্রেতারা। কিন্তু এখন সে সব দূরঅস্ত। উল্টে তাড়াহুড়ো করে বাজার করতে গিয়ে ক্রেতারা নিজেরাই গা ঘেঁষাঘেঁষি করছেন, এমন ছবি ধরা পড়েছে বেশির ভাগ বাজারে।

প্রায় কোথাও পুলিশের কড়াকড়ি চোখে পড়েনি। গত ৮ জুলাই থেকেই পালা করে লকডাউন চলছে মালদহে। তবে এদিন শহরবাসীর একাংশ লকডাউন ঘোষণার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কারণ এর আগে গত ১৪ তারিখে গভীর রাতে মাইকিং করে সকাল থেকেই লকডাউন শুরু করে দেয় প্রশাসন। আবার গত রবিবার রাতে মাইকে প্রচার করে সোমবার থেকে লকডাউনের কথা বলা হয়। কেন আগাম লকডাউনের কথা জানানো হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। এভাবে লকডাউন সফল করা যেমন কঠিন, তেমনই সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই।

SEBAK DEB SARMA

Published by: Arindam Gupta
First published: July 20, 2020, 7:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर