corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সংক্রমিত হয়েও নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্রামে! আতঙ্কে অন্যান্য গ্রামবাসীরা

করোনা সংক্রমিত হয়েও নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্রামে! আতঙ্কে অন্যান্য গ্রামবাসীরা

আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগ, স্বাস্থ্য দফতরের এক স্বাস্থ্যকর্মী এসে মাত্র পাঁচটি ট্যাবলেট দিয়ে গেছে। আর কোনোও খোঁজখবর নেওয়া হয়নি।

  • Share this:

#মুর্শিদাবাদ: একই বাড়িতে চারজন করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ করোনায় আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও নিশ্চিন্তে বহাল তবিয়তে বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন আক্রান্ত রোগীরা। কোনও কিছুরই তোয়াক্কা করছেন না করোনা সংক্রমিত রোগীরা৷ আর এতেই গ্রামবাসীদের ঘুম ছুটেছে।

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার তালায় গ্রামের ঘটনা। আক্রান্ত পরিবারের দাবি, স্বাস্থ্য দফতর থেকে মাত্র একবার এক স্বাস্থ্যকর্মী এসেছিলেন। তারপর আর কেউ কোনও খবর নেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই আক্রান্তদের বাইরে বের হতে হচ্ছে। যেহেতু একই পরিবারের চারজনই আক্রন্ত৷ তাই নিজেরে প্রয়োজনেই তাদের বাইরে যেতে হচ্ছে বলে দাবি৷

দেব নারায়ণ ঘোষের পরিবারে একই সঙ্গে পরিবারের চারজনের করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগ, স্বাস্থ্য দফতরের এক স্বাস্থ্যকর্মী এসে মাত্র পাঁচটি ট্যাবলেট দিয়ে গেছে। আর কোনোও খোঁজখবর নেওয়া হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই বাজার হাট দোকান করতে হচ্ছে তাদেরকেই। তারা বাড়ির বাইরে আসছেন নিয়মিত৷ আর এতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গ্রামের অন্যান্য বাসিন্দারা৷

গ্রামবাসী জিতেন সরকার বলেন, কোন নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না ঘোষ পরিবার। যে কোনোও সময় বাইরে  বের হচ্ছেন ওরা। গ্রামবাসীরা আতঙ্কে রয়েছি। স্বাস্থ্য দফতরে জানানো হলেও কোনোও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তারাও। গ্রামবাসী ধ্রুব নারায়ণ ঘোষ বলেন, কয়েকদিন আগেই পাশের গ্রামে একজন মারা গেছেন এই করোনাতে। আমরা নিষেধ করলেও তা অমান্য করে গ্রামের বাইরে বের হচ্ছেন। গ্রামের স্বাস্থ্যকর্মী জ্যোৎস্না হালদার বলেন, করোনা আক্রান্তদের এখন বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা হচ্ছে। কোন উপসর্গ না থাকায় কোন ঔষধ দেওয়া হয়নি। গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যদের এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে দেশে হুহু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ। তাই সামনের বছরের প্রথম দিকেও থাকবে সংক্রমণের দাপট। আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন AIIMS-এর ডিরেক্টর। তবে আশার কথা, সবকিছু ঠিক থাকলে বছরের শেষে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে ভারতের হাতে আসতে পারে করোনার ভ্যাকসিন।তবে ভ্যাকসিন নিয়ে আশাবাদী AIIMS ডিরেক্টর। ভারতে তিনটি ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ট্রায়াল চলছে। গুলেরিয়ার মতে, ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারতে চূড়ান্ত ভ্যাকসিন পেতে আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২০’র শেষে ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী AIIMS-এর ডিরেক্টর।

Published by: Pooja Basu
First published: September 7, 2020, 7:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर