Exclusive: করোনা আতঙ্ক!‌ বালিগঞ্জে হাতে স্যানিটাইজার দিয়ে তবেই পরীক্ষা দিতে ঢুকছেন পড়ুয়ারা

Exclusive: করোনা আতঙ্ক!‌ বালিগঞ্জে হাতে স্যানিটাইজার দিয়ে তবেই পরীক্ষা দিতে ঢুকছেন পড়ুয়ারা

স্যানিটাইজার দিয়ে ‌শুদ্ধ করে তবেই পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি মিলছে

  • Share this:

#‌কলকাতা:‌ করোনা আতঙ্কের জেরে শনিবার থেকে পরীক্ষার্থীদের হাত স্যানিটাইজার দিয়ে ‌শুদ্ধ করে তবেই পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি মিলছে। শনিবার থেকে এমন নিয়ম শুরু করেছে দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ শিক্ষা সদন। রাজ্যে এই মুহূর্তে চলছে উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা। পাঠভবন–সহ কয়েকটি স্কুলের পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে বালিগঞ্জ শিক্ষা সদন। আর সেখানেই করোনা আটকাতে নতুন বিধি চালু করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার থেকেই পরীক্ষার্থীদের স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে তবেই এই স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। মূলত পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত স্কুল কর্তৃপক্ষের। যদিও স্কুলের প্রধান সুমিতা সেন জানান, ‘‌উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ থেকেই পরীক্ষার্থীদের জন্য এই ব্যবস্থাগুলি করতে বলা হয়েছিল। তাই আমরা এই ব্যবস্থাগুলি নিয়েছি।’‌ পরীক্ষা শুরুর আগে কিভাবে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে সেটাও শিক্ষকরা শিখিয়ে দেন পরীক্ষার্থীদের।

দেশে ক্রমশই বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। কলকাতা–সহ রাজ্যে এখন আক্রান্তের সংখ্যা তিন। যার মধ্যে কলকাতা থেকেই দুই যুবক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাই সতর্ক থাকতে সিবিএসই,আইসিএসই,আইএসসি–র মতো বিভিন্ন পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। তবে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলবে বলে ইতিমধ্যেই শুক্রবার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদকে বলা হয়েছে যাতে পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে পরীক্ষাকেন্দ্র গুলি। এর পাশাপাশি পরীক্ষা নিয়েও রাজ্য যে সতর্ক রয়েছে শুক্রবার সেকথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সেই মতোই শনিবারই দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ শিক্ষা সদনে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হল। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পরীক্ষার্থীদের হাতেই স্যানিটাইজার দিলেন। শুধু হাত নয় পরীক্ষার্থীদের ব্যবহার করা বোতল বোর্ড গুলিকেও স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করার কথা বলছেন শিক্ষকরা। প্রশ্নপত্র দেওয়া, উত্তরপত্র দেওয়া, বা বিভিন্ন সময়ে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্পর্শ হবার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই শনিবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করেছে দক্ষিণ কলকাতার এই স্কুল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের অন্যান্য পরীক্ষাকেন্দ্র গুলিতেও যাতে এই ব্যবস্থা করা যায় তা নিয়ে জেলার স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ সংসদের থেকে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আর মাত্র তিন দিন পরীক্ষা হলেই এবছরের উচ্চমাধ্যমিকের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে। যদিও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া উচিত নাকি তা নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

First published: March 21, 2020, 11:14 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर