COVID19 East Burdwan: বাড়ছে মৃত্যু, পূর্ব বর্ধমান জেলায় ফের একদিনে আক্রান্ত সাড়ে আটশো

পূর্ব বর্ধমান জেলায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৮৪৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে এই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ২২ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৮৪৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে এই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ২২ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় ফের একদিনে সাড়ে আটশো বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হলেন। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। লাগামহীনভাবে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। অন্যদিকে আক্রান্তরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠছে। করোনার প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে শুরু করে অক্সিমিটার যন্ত্র, অক্সিজেন সিলিন্ডার সবেরই অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। জেলা প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, মনিটরিং সেল খুলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। টেলি মেডিসিন পরিষেবার মধ্য দিয়ে রোগীদের যথাসম্ভব পরামর্শ দিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ। আউটডোরে অনলাইন পরিষেবা চালু হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৮৪৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে এই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ২২ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। এ দিন পর্যন্ত এই জেলায় ২২ হাজার ৫০৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়ছে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যাও। এ দিন পর্যন্ত ছয় হাজার ২২৪ জন অ্যাক্টিভ রোগী রয়েছে এই জেলায়। নতুন করে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ২০৮ জনের মৃত্যু হল বলে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন Corona Eye Problem: করোনায় ফুলে উঠছে চোখ, হচ্ছে 'জয়বাংলাও'! আগে থেকেই সজাগ থাকুন, জেনে নিন বিশিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ

গতকাল পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৮৯৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। ৫ মে সেখানে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৯১ জন। ৪ মে এই জেলায় ৬৩২ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল। ৩ মে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩২৯ জন। দুই মেতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩২৯ জন। পয়লা মে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৪২ জন। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দিন যত বাড়ছে ততোই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্বিতীয় দফায় এই আক্রান্তের লেখচিত্র ক্রমশ শীর্ষের দিকে পৌঁচচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর হয়তো আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে। তবে সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পেতে এখন খুবই সাবধানতা গ্রহণ করা জরুরি। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে পা দেওয়া উচিত নয়। একান্ত প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে মাস্কে মুখ ভালোভাবে ঢাকতে হবে। সেইসঙ্গে বারে বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার জরুরি। বাইরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে সব সময় সচেতন থাকতে হবে।

Published by:Pooja Basu
First published: