Home /News /coronavirus-latest-news /
আরও ১২০ ট্রেন আসছে, ১৫ দিনেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাবো: মমতা

আরও ১২০ ট্রেন আসছে, ১৫ দিনেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাবো: মমতা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মুখ্যমন্ত্রী এদিন সাফ বলেন, "কেন্দ্রীর কাছে ১১৫টি ট্রেন চেয়েছি। পনের দিনের মধ্যে আরও ১২০টি ট্রেন চাইব । আমরা চেষ্টা করব ১৫ দিনের মধ্যে যথাসম্ভব শ্রমিককে ফিরিয়ে আনার।

  • Share this:

    #কলকাতাঃ  পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে প্রথম থেকেই সংবেদনশীল রাজ্য । তাঁদের ফিরিয়ে আনতে তৎপর প্রশাসন । সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  বলেন, "ইতিমধ্যেই বাংলায় ১৬টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন এসে গিয়েছে । ২ লাখ লোক ট্রেনে, বাসে করে রাজ্যে এসেছেন। এখন আরও ২৩৫টি ট্রেন রাজ্যে আসবে আগে প্রতি ট্রেনে ১২০০ জন ফিরছিলেন , এখন ১৮০০ জন করে ফিরছেন ।" তিনি আরও বলেন, "শ্রমিকরা ফিরলেই তো হবে না । ট্রেনে আসার পর শ্রমিকদের চেকআপ করতে হচ্ছে। তারপর তাঁদের এলাকার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠাতে হচ্ছে। এক দিনে আমার ঘাড়ের উপর ঠেলে দিলে, অত লোককে কোথায় ঢোকাব !  জেলায় কোথায় কত লোক ঢুকতে পারবে, কতটা ক্যাপাসিটি রয়েছে, তাও তো দেখতে হবে । তাঁর কথায়, “ওই শ্রমিকরা যেখানে পৌঁছবে, সেখানে নজর রাখতে হবে। আমি যদি হাজার হাজার করোনা ছেড়ে দিই, মানুষ কি ছেড়ে দেবে? এদিকে, গ্রামের থেকেও বাধা আসছে। এলাকার মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন, সব সামলে তবে সবাইকে ফেরানোর ব্যাবস্থা করা হবে । কারণ এলাকাকে করোনা মুক্ত রাখার দায় রয়েছে ।"

    তবে মুখ্যমন্ত্রী এদিন সাফ বলেন, "কেন্দ্রীর কাছে ১১৫টি ট্রেন চেয়েছি। পনেরো দিনের মধ্যে আরও ১২০টি ট্রেন চাইব । আমরা চেষ্টা করব ১৫ দিনের মধ্যে যথাসম্ভব শ্রমিককে ফিরিয়ে আনার। রোজ দশটা করে ট্রেন রাজ্যে ফিরবে তাঁদের নিয়ে ।  তবে কতগুলো রাজ্যের অবস্থা অত্যন্ত বিপজ্জনক । চেন্নাই, মুম্বই, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশে সংক্রমণ বেশি ছড়িয়েছে। তাই সেখান থেকে যাঁরা আসবেন, তাঁদের অনেক বেশি নজরে রাখতে হবে ।"

    এরপর মুখ্যমন্ত্রী পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, "ধৈর্য ধরুন । ২০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক নেই। ওটা ভুল সংখ্যা। প্রকৃত সংখ্যা তার থেকে কম । সরকারকে সময় দিন । সকলের ফেরার ব্যবস্থা হবে। সব ব্যয়ভার বহন করবে রাজ্য সরকার । "

    লকডাউনের জেরে বন্ধ গণপরিবহন ব্যবস্থা । ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা । লকডাউনের জেরে বন্ধ কাজ । ফলে বন্ধ রোজগার । চরম দুর্দশার মধ্যে দিন গুজরান হচ্ছে তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে অনেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । যাঁদের সাইকেল রয়েছে, তাতেই পাড়ি দিয়েছেন তাঁরা । তিন দফা লকডাউনে বহু শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে । কিন্তু সম্প্রতি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে উত্তরপ্রদেশে । তার ঠিক কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে ।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    Tags: Mamata bandyopadhyay, Migrant labour

    পরবর্তী খবর