corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘কীভাবে স্কুলছাত্রীদের গণধর্ষণ করা যায়’, আলোচনার পর নেটদুনিয়ায় #MeToo অভিযুক্ত, আত্মঘাতী Bois Locker Room সদস্য

‘কীভাবে স্কুলছাত্রীদের গণধর্ষণ করা যায়’, আলোচনার পর নেটদুনিয়ায় #MeToo অভিযুক্ত, আত্মঘাতী Bois Locker Room সদস্য

গুরুগ্রামে আত্মঘাতী এই গ্রুপের সদস্য ১৪ বছরের এক কিশোর ৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলাখুলি তার নামে মিটু অভিযোগ এনেছিল এক ছাত্রী ৷

  • Share this:

#গুরুগ্রাম: গত কয়েকদিন ধরেই ইনস্টাগ্রাম গ্রুপ Bois Locker Room নিয়ে সরগরম নেট দুনিয়ায় ৷ কীভাবে স্কুলছাত্রীদের গণধর্ষণ করা যায়? এই ছিল আলোচনার বিষয়! এরই মাঝে গুরুগ্রামে আত্মঘাতী এই গ্রুপের সদস্য ১৪ বছরের এক কিশোর ৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলাখুলি তার নামে মিটু অভিযোগ এনেছিল এক ছাত্রী ৷

বুধবার দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ওই কিশোর নিজের অ্যাপার্টমেন্টের ১২ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে ৷ ছেলেটিকে পাশের আবাসন থেকে ঝাঁপ দিতে দেখে নিরাপত্তারক্ষীদের সতর্ক করেছিল কিশোরের এক বন্ধু ৷ কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও ওই পড়ুয়াকে বাঁচানো যায়নি ৷

পুলিশ জানিয়েছে, কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি ৷ তবে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে নাম উল্লেখ করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন এক কিশোরী ৷ ঘটনাচক্রে  Bois Locker Room-এ গণধর্ষণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা ওইদিনই সোশ্যাল মিডিয়া ফাঁস হয়েছিল ৷ মৃত কিশোরের মোবাইল ঘেঁটে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন বয়েজ লকার রুমের সদস্য অন্য এক কিশোর তাঁকে জানিয়েছিল পুলিশ সব সদস্যদের জেরা করবে ৷

দক্ষিণ দিল্লির স্কুলছাত্রদের ইনস্টাগ্রামে একটি গ্রুপ Bois Locker Room। গ্রুপে কয়েকজন কলেজ ছাত্রও। দিনরাত আলোচনা-চ্যাট। এই গ্রুপের আলোচনার চ্যাটের নমুনা দেখে হতবাক সকলে ৷ গোপন এই গ্রুপে আলোচনার বিষয় শুনলে শিউড়ে ওঠার মত। বয়েজ লকার রুম নামে ওই গ্রুপে জমাটি আলোচনা, কীভাবে স্কুলছাত্রীদের গণধর্ষণ করা যায়। গণধর্ষণের উপায় ও পদ্ধতি নিয়ে তারিয়ে তারিয়ে চ্যাট। গণধর্ষণ নিয়ে সাবলীল কথাবার্তা স্কুলছাত্রদেরই। কথোপকথনে বিকৃত মানসিকতার প্রমাণ।

সম্প্রতি টুইটারে এক মহিলা এই গ্রুপের একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন। চ্যাটের অশ্লীল কীর্তিকলাপ ফাঁস হয়ে যায়। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল। ওই চ্যাটেই স্পষ্ট, নিয়মিত এই গ্রুপে স্কুলছাত্রীদের গণধর্ষণের হরেক পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়৷ এছাড়াও, স্কুলছাত্রীদের ছবি বিকৃত করে গ্রুপে পোস্টও করা হয় ৷ স্কুলছাত্রীদের বিকৃত ছবি নিয়ে গণধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয় ৷

এই ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় বয়েজ লকার রুমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। দক্ষিণ দিল্লির কয়েকজন ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা। বুধবার গ্রেফতার করা হয়েছে গ্রুপ অ্যাডমিনকেও ৷  ধৃত ছাত্রদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাঁদের জেরা করে ওই গ্রুপের আরও কয়েকজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

Published by: Elina Datta
First published: May 6, 2020, 8:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर