ভারত র‍্যাপিড টেস্টিং কিট ব্যবহারই করতে পারেনি, এখন পাল্টা দোষ চাপাচ্ছে চিন!

কিটের দোষ মানতেই চাইছে না চিন।

কিট খারাপ আসার পরেই তাঁরা জানিয়েছিল, এই খবরে তাঁরা বিস্মিত। যদিও সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। কিন্তু এখন উল্টো সুরে গান গাইছে চিনা দূতাবাস।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: চিন থেকে ভারতে আসা র‍্যাপিড টেস্টিং কিট খারাপ। তাই গত সপ্তাহেই রাজ্যগুলিকে সেই কিট ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল। বলা হয় পুরোনো পিসিআর পদ্ধতিতেই সমীক্ষা চালিয়ে যেতে। গুণগত মানের ত্রুটির জন্যে সেই কিট ফেরত দেওয়ার কথাও জানিয়ে দেয় ভারত। এই আবহে বেজিং কোনও কথাই শুনতে চাইছে না। বরং দোষ চাপাচ্ছে ভারতের উপর। তাঁদের দাবি, এই কিট বহু দেশ ব্যবহার করছে। ভারত ব্যবহার করতে পারেনি যথাযথ ভাবে।

    সোমবার চিনা দূতাবাসের মুখমাত্র জি রং বলেন, "আমরা জানি, প্রচণ্ড চাহিদার মুখে সাড়ে পাঁচ লক্ষ র‍্যাপিড অ্যাকশান কিট আমদানি করেছে ভারত। সেই কিটগুলি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানো হয়েছে, নানা জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে। অপেশাদাররা এই কিট ব্যবহার করলে কোনও ফল পাওয়া যাবে না।"

    ভারতে র‍্যপিড কিট পাঠিয়েছিল চিনের দুই সংস্থা গুয়াংঝো ওয়ান্ডফো বায়োটেক ও লিভজন ডায়াগনিস্টিক। কিট খারাপ আসার পরেই তাঁরা জানিয়েছিল, এই খবরে তাঁরা বিস্মিত। যদিও সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয় সংস্থার পক্ষ থেকে।

    কিন্তু এখন উল্টো সুরে গান গাইছে চিনা দূতাবাস। সোমবার দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, "গুয়াংঝো ওয়ান্ডফো বায়োটেক ও লিভজন ডায়াগনিস্টিক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে তাঁদের প্রস্তুত করা কিট ন্যাশানাল মেডিক্যাল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না দ্বারা স্বীকৃত। এবং গুণমান নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। বহু দেশ এই কিট ব্যবহার করছে। ভারতের ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির মারফত আইসিএমআর স্বীকৃতি দিয়েছ এই কিটকে।"

    শুধু ভারতীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেই ক্ষান্ত হয়নি চিনা দূতাবাস। জি রং বলছেন, "শুধু মুখে বলেই থেমে থাকেনি চিন। প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সাহায্য নেওয়ার পরে এখন যোগ্যতামান নিয়ে প্রশ্ন তোলা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা।"

    Published by:Arka Deb
    First published: