• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • নাকের স্প্রে–তে কমবে করোনা!‌ ভ্যাকসিন নিয়ে নতুন বার্তা এল চিনের

নাকের স্প্রে–তে কমবে করোনা!‌ ভ্যাকসিন নিয়ে নতুন বার্তা এল চিনের

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এই ভ্যাকসিন সাধারণত ইনফেকশনের যে পথ সেই পথেই এই ভাইরাসকে ধ্বংস করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এই ভ্যাকসিন সাধারণত ইনফেকশনের যে পথ সেই পথেই এই ভাইরাসকে ধ্বংস করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এই ভ্যাকসিন সাধারণত ইনফেকশনের যে পথ সেই পথেই এই ভাইরাসকে ধ্বংস করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

  • Share this:

    #‌বেজিং:‌করোনাভাইরাস নিয়ে এখন চারিদিকেই নানা রকম চিন্তাভাবনা চলছে। বিভিন্ন দেশ প্রতিনিয়ত গবেষণা করে চলেছে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বের করবার জন্য। আর সেই পথেই আরও একটু এগিয়ে গেল চিন। করোনা ভ্যাকসিন এখনও আবিষ্কৃত না হলেও একটি ন্যাজাল স্প্রে চিন আবিষ্কার করেছে। যার ফেস ওয়ান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নভেম্বরে শুরু হয়ে গিয়েছে এবং ১০০ জন ভলেন্টিয়ারের ওপর আগামী নভেম্বর মাসে এটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে। আপাতত চিনের জাতীয় মেডিকেল প্রোডাক্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং স্টেট এর অনুমতির অপেক্ষা করা হচ্ছে। সেই অনুমতি পেয়ে গেলেই এই ন্যাজাল স্প্রে ভ্যাকসিন এর পরীক্ষা শুরু করে দেবে চিনের সংস্থা। চিনের সঙ্গে যৌথভাবে হংকং এবং চায়না মেনল্যান্ড এই গবেষণার হাত চালিয়েছে। ইউনিভার্সিটি অফ হংকং, সিয়ামেন ইউনিভার্সিটি অফ বায়োলজিক্যাল ফার্মেসি কাজ করছে একসঙ্গে।

    গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এই ভ্যাকসিন সাধারণত ইনফেকশনের যে পথ সেই পথেই এই ভাইরাসকে ধ্বংস করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ন্যাজাল স্প্রে–এর সাহায্যে যে ভ্যাকসিনেশন দেয়া হবে তাতে থাকবে ডবল প্রটেকশন যৌথ নিরাপত্তা। মানে যিনি ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং নোবেল করোনাভাইরাসে ভুগেছেন তিনি এই গোত্রের যেকোনও রোগ থেকে মুক্তি পাবেন। সঙ্গে গবেষকদলের এক সদস্য যোগ করেছেন যে আরও এক বছর হয়তো সময় লাগবে এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণভাবে বাজারে আনতে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, ইনজেকশনের থেকে ন্যাজাল স্প্রে অনেক বেশি কার্যকর বলে তাঁরা মনে করছেন এবং তাঁরা মনে করছেন একটি মানুষকে স্প্রে দেওয়া অনেক বেশি সহজ। তাই আপাতত অতিমাত্রায় নির্মাণ করা আরও অনেক বেশি সহজে ন্যাজাল স্প্রে ভ্যাকসিন ব্যবহার করার উপায় করা হবে।

    চিনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের নাম নথিভুক্ত করা হয়ে গিয়েছে, তাঁদের উপর ভ্যাকসিন প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা হবে দেখা হবে যে এর কোনো রকম সাইডএফেক্ট বা ইত্যাদি প্রভৃতি কিছু রয়েছে কিনা!‌ তারপর এই ব্যাপারটাকে বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে চিন। তবে আপাতত সেই দেশের মানুষের জন্যই ভ্যাকসিন তৈরি হবে।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: