ছেলে ঘুমিয়ে সুটকেসে, থামলে ছেড়ে যাবে দল, ৮০০ কিলোমিটার হাঁটলেন মা!

লকডাউনের সবথেকে খারাপ প্রভাব যদিও কারও জীবনে পড়ে থাকে, তবে তা পরিযায়ী শ্রমিকদের উপরেই৷ তথ্য বলছে, গত দশ দিনে দুর্ঘটনায় অন্তত ১০৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন৷ আহতের সংখ্যাও একশো ছুঁই ছুঁই৷

পূর্ণবয়স্ক মানুষেরা জীবন বাজি রেখে হেঁটে গিয়েছেন। কিন্তু কচি কচি পা গুলোর কি আর সেই সামর্থ্য ছিল!

  • Share this:

    আগ্রা: হাঁটাই নিয়তি। থমকে গেলে, ঘুমিয়ে পড়লে প্রাণে মরতে হবে। ভালই জানেন ওঁরা। কিন্তু কোলের সন্তানটি সে আর কতক্ষণ হাঁটবে?ক্লান্ত হয়ে সে ঘুমিয়ে পড়েছিল সুটকেসেই। সুটকেসের ওজন বেড়ে গিয়েছে , কিন্তু আটশো কিলোমিটার যেতে হবে যে, তাই হাঁটা থামাতে পারেন না মা। আপাতত নেটদুনিয়ায় ভাইরাল সেই মর্মান্তিক ঘটনাই।

    লকডাউনের জেরে বন্ধ য়খন গোটা দেশের গণপরিবহণ বন্ধ ছিল পুরোপুরি বহু শ্রমিকই পথে নেমে আসেন। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় বহুজনের । কেউ প্রাণ হাতে এগোতে থাকেন গন্তব্যে। তাঁদেরই একটি বর্গ এই দলটি। কাজ নেই, খাবার নেই, একপ্রকার বাধ্য হয়েই পাঞ্জাব থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন তাঁরা। কিন্তু বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিলোমিটার। দিনভর হাঁটা, রাতে পথের ধারেই বিশ্রাম, এই ছিল নিয়তি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দলটির দেখা হয় আগ্রায়। কোথায় যাচ্ছেন জিজ্ঞেস করায় বলেন, ঝাঁসি।

    পূর্ণবয়স্ক মানুষেরা জীবন বাজি রেখে হেঁটে গিয়েছেন। কিন্তু কচি কচি পা দু'টোর কি আর সেই সামর্থ্য ছিল!  অগত্যা সেই  খুদে  ঘুমিয়েই পড়েছিল সুটকেসের উপর। দল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে তাই নিয়েই হাঁটতে থাকে ওর মা। নেটিজানরা দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন সেই ভিডিও দেখে, আর কী বা করার থাকতে পারে।

    Published by:Arka Deb
    First published: