Covishield Gap : বাড়ল কোভিশিল্ডের ব্যবধান, জানুন কতদিন পরে নেবেন টিকার দ্বিতীয় ডোজ...

কোভিশিল্ড : দ্বিতীয় ডোজের সময় বাড়ল প্রতীকী ছবি৷

বৃহস্পতিবার কোভিশিল্ড (Covishield) টিকার দুটি ডোজ়ের (vaccine gap) মধ্যে ব্যবধান বাড়িয়ে ৩-৪ মাস অর্থাৎ ১২-১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব দেয় সরকারি একটি সংস্থা৷ তবে কোভ্যাক্সিনের (Covaxin) দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান একই রাখার প্রস্তাব করা হয়৷ অর্থাৎ এই টিকার ক্ষেত্রে দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান ৬ সপ্তাহ রাখতেই বলা হয়েছে ৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কোভিশিল্ডের (Covishield) দুটি ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেই প্রস্তাব মেনে নিল ন্যাশনাল টেকনিকাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI) এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তার ফলে এবার থেকে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নেওয়ার ১২-১৬ সপ্তাহ (তিন থেকে চার মাস) পর মিলবে দ্বিতীয় ডোজ (Second Dose)।

    বৃহস্পতিবার কোভিশিল্ড (Covishield) টিকার দুটি ডোজ়ের (vaccine gap) মধ্যে ব্যবধান বাড়িয়ে ৩-৪ মাস অর্থাৎ ১২-১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব দেয় সরকারি একটি সংস্থা৷ তবে কোভ্যাক্সিনের (Covaxin) দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান একই রাখার প্রস্তাব করা হয়৷ অর্থাৎ এই টিকার ক্ষেত্রে দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান ৬ সপ্তাহ রাখতেই বলা হয়েছে ৷

     প্রাথমিকভাবে ২৮ থেকে ৪২ দিনের (চার থেকে ছয় সপ্তাহ) ব্যবধানে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজ প্রদান করা হত। কিন্তু সরকারি প্যানেলের পরামর্শে মার্চে সেই সময়সীমা পালটে চার-আট সপ্তাহ করা হয়। আপাতত সেভাবেই কোভিশিল্ড দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু দেশজুড়ে করোনা টিকার আকালের মধ্যে দুটি ডোজের ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই প্রস্তাব ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (টিকা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি) কাছে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, ‘মূলত ব্রিটেন-সহ অন্যান্য জায়গার বাস্তব জীবনের তথ্যের ভিত্তিতে কার্যনির্ধারণ গোষ্ঠী একমত হয়েছে যে কোভিশিল্ড টিকার দুটি ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়িয়ে ১২-১৬ সপ্তাহ (তিন থেকে চার মাস) করা হোক।’

    প্রসঙ্গত, এই নিয়ে তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বার কোভিশিল্ড ডোজ়ের ব্যবধান বাড়ানোর কথা বলা হল ৷ মার্চ মাসে বেশ কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভালো ফল পাওয়ার জন্য কোভিশিল্ডের ডোজ়ের ব্যবধান বাড়ানোর কথা বলেছিল ৷ তবে প্রশ্ন উঠেছে, জোগানের অভাবে যে টিকার আকাল দেখা দিয়েছে, তা সামলানোর জন্যই কী ডোজের ব্যবধান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে? যদিও কেন্দ্রের তরফে সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

    এছাড়াও সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজ়ারি গ্রুপ অন ইম্যুনাইজ়েশন আরও জানিয়েছে, অন্তঃসত্ত্বারা কোন টিকা নেবেন, সেটা তাঁরা নিজেরা বেছে নিতে পারবেন এবং যে মহিলারা সন্তানকে স্তন্যপান করান, তাঁরা ডেলিভারির পর যে কোনও সময়ে টিকা নিতে পারবেন ৷ যাঁরা সার্স-কোভ-২ রোগে ভুগছেন, তাঁদের সুস্থ হওয়ার ৬ মাস পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এনটিএজিআই ৷

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: