corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতা পুলিশের এই বিভাগে প্রত্যেক বছর দেওয়া হয় ‘করোনা প্রতিষেধক’ !

কলকাতা পুলিশের এই বিভাগে প্রত্যেক বছর দেওয়া হয় ‘করোনা প্রতিষেধক’ !

কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের ভিতরেই দেওয়া হয় এই ইঞ্জেকশন। ডগ স্কোয়াডের জন্য যে পশু চিকিৎসক রয়েছে, তিনিই এই ইঞ্জেকশন দিয়ে থাকেন।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা রোগটির সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় এই কয়েক মাস। কিন্তু কলকাতা পুলিশ বহু আগে থেকেই করোনা সম্পর্কে সচেতন। কারণ, কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডে প্রত্যেক বছর করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক দেওয়া হয়। এই মুহূর্তে ৪৮টি পুলিশ কুকুর রয়েছে ডগ স্কোয়াডে। এদের প্রত্যেককেই বছরে একবার করে করোনার প্রতিষেধক ইনজেকশন দেওয়া হয়। জন্মের পর থেকেই শুরু হয় এই করোনা ইনজেকশন দেওয়ার কাজ। সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে কোভিড-19 নয়, দেওয়া হয় 'ক্যানাইন করোনাভাইরাস'-এর ইঞ্জেকশন।

কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের ভিতরেই দেওয়া হয় এই ইঞ্জেকশন। ডগ স্কোয়াডের জন্য যে পশু চিকিৎসক রয়েছে, তিনিই এই ইঞ্জেকশন দিয়ে থাকেন। যেহেতু বছরে একবার করে এই ইনজেকশন দিতে হয় তাই সারা বছরই ডগ স্কোয়াডে মজুত রাখা হয় 'ক্যানাইন করোনাভাইরাস' ইঞ্জেকশন।

কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের দায়িত্বে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপ পান্ডে বলেন, "করোনা ভাইরাসের আক্রমণ ঠেকাতে বছরে একবার প্রত্যেকটি কুকুরকে ক্যানাইন করোনাভাইরাস ইঞ্জেকশন দেওয়ানো হয়। জন্মের পর থেকেই ইনজেকশন দেওয়া হয়।" তবে এই ইনজেকশন কুকুরের শরীরে কোভিড 19-এর আক্রমণ ঠেকাতে পারবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সেজন্যই আপাতত আয়ুর্বেদিক উপায়ের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে ডগ স্কোয়াডের প্রত্যেকটি কুকুরকে জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য। আয়ুর্বেদিক কলেজের পরামর্শ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে হার্বাল স্যানিটাইজার। দশ লিটার জলে এক কেজি নিমপাতা জাল দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে তার মধ্যে কর্পূর ও ফিটকিরি নির্দিষ্ট মাত্রায় মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই হার্বাল স্যানিটাইজার।

ডগ স্কোয়াডের যে সদস্যরা এখন ভিআইপি ডিউটি করছে ও ক্রাইম ট্র্যাকারের কাজে ডিউটিতে যাচ্ছে, তারা ফিরে এলে আগে ওই হার্বাল স্যানিটাইজার দিয়ে ভাল করে স্নান করানো হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য, কুকুরগুলি যদি বাইরে থেকে কোনও ভাইরাস বা রোগজীবাণু নিজেদের শরীরে বহন করে আনে, তাহলে তা যেন অন্য কোনও কুকুর বা তাদের হ্যান্ডলারের (ডগ স্কোয়াডের কুকুর যে পুলিশকর্মীর সঙ্গে থাকে) শরীরে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে। তাই জীবাণুমুক্ত রাখতে এই প্রাকৃতিক উপায়ের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ডগ স্কোয়াডের দাবি, এই হার্বাল স্যানিটাইজার একদিকে যেমন কুকুরদের জীবাণুমুক্ত রাখছে, তার পাশাপাশি এর নিয়মিত ব্যবহারের ফলে কুকুরদের ত্বক আগের থেকে ভালো হচ্ছে। ফিরছে জেল্লা।

তাই রোজ হার্বাল সানিটাইজার তৈরি করে রোজ স্নান করানো হচ্ছে ডগ স্কোয়াডের সদস্যদের।

Sujay Pal

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: May 8, 2020, 4:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर