করোনা আরোগ্যে দ্বিতীয় কার্যকরী ভ্যাকসিন মডার্না! গ্রিন সিগন্যাল কানাডায়

করোনা আরোগ্যে দ্বিতীয় কার্যকরী ভ্যাকসিন মডার্না! গ্রিন সিগন্যাল কানাডায়

ফাইজার বায়োএনটেকের পর বুধবার কানাডায় মার্কিন ড্রাগ সংস্থা মডার্না কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে দ্বিতীয় কার্যকরী ভ্যাকসিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

ফাইজার বায়োএনটেকের পর বুধবার কানাডায় মার্কিন ড্রাগ সংস্থা মডার্না কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে দ্বিতীয় কার্যকরী ভ্যাকসিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

  • Share this:

    #কানাডা: কানাডায় গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে গেল মডার্না ভ্যাকসিন। ফাইজার বায়োএনটেকের পর বুধবার কানাডায় মার্কিন ড্রাগ সংস্থা মডার্না কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে দ্বিতীয় কার্যকরী ভ্যাকসিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিন ৯৪.১ শতাংশ বেশি কার্যকর করোনায় আক্রান্তের জন্য। এই ভ্যাকসিনটি -২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট)-এ সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এটি ফাইজার ভ্যাকসিনের চেয়ে অনেক বেশি উষ্ণ, অতএব দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যাবে। ফলে বিতরণ করা যাবে সহজেই। ওই দেশের স্বাস্থ্য বিষয়ক এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ভ্যাকসিন সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং মানের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেছে। মডার্না ভ্যাকসিন আক্রান্তদের দিলে কোনও সমস্যা হবে না বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিন দীর্ঘদিন স্টোরেজ করার সুবিধা রয়েছে, তাই দেশের বিচ্ছিন্ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলিতে আগে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

    ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো আগেই জানিয়েছিলেন বছর শেষে তিনি মডার্না ভ্যাকসিনের ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ডোজ কিনতে চলেছেন। মডার্না ভ্যাকসিন অনুমোদনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এই সরবরাহ শুরু হয়ে যেতে পারে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর থেকে কানাডায় প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং অন্যান্য কর্মচারীদের ফাইজার টিকা দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এর সীমিত সরবরাহের জন্য সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। এখন মডার্না ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু হলে দেশের বেশির ভাগ মানুষকে টিকা দিতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

    ফাইজার এবং মডার্না উভয় ভ্যাকসিন এমআরএনএ (মেসেঞ্জার রিবোনুক্লিক অ্যাসিড)-এর উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। যা মানবদেহে কোষ গুলিতে প্রোটিন যোগাতে সাহায্য করবে। ট্রুডো জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনের যোগান প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হলে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তিনি ভাগ করে নেবেন। ২০২১ সালের শুরুর দিকে তিনি ৩ মিলিয়ন মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। বুধবারের শেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ওই দেশে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লক্ষ ২২ হাজার মানুষ এবং মৃতের সংখ্যা ১৪ হাজার ৫০০ জন।

    Published by:Somosree Das
    First published: