করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সর্বনাশ! সেফ হোমে লিফট অচল, পেট ভরাতে সিঁড়ি ভাঙতে হচ্ছে বর্ধমানের করোনা রোগীদের

সর্বনাশ! সেফ হোমে লিফট অচল, পেট ভরাতে সিঁড়ি ভাঙতে হচ্ছে বর্ধমানের করোনা রোগীদের
বর্ধমানের সেই বহুতল সেফ হোম।

অবিলম্বে এই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানে সেফ হোমে উপযুক্ত পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ তুললেন করোনা আক্রান্তরা।লিফট চালু না থাকায় অসুস্থদের দোতলা তিনতলা থেকে নিচে নেমে এসে খাবার সংগ্রহ করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্তদের দাবি, ওপর তলায় এসে খাবার সরবরাহ করার ব্যবস্থা করুক জেলা প্রশাসন। অবিলম্বে এই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

বর্ধমান শহর লাগোয়া নির্মীয়মান কৃষি দপ্তরে সেফ হোম চালু করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সেখানে মৃদু উপসর্গ আছে এমন করোনা আক্রান্তদের রাখা হয়েছে। এছাড়াও করোনা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন অথচ এখনও উপসর্গ রয়েছে এমন ব্যক্তিদের রাখা হয়েছে এই সেফ হোমে। আক্রান্তদের অভিযোগ, দুপুরে ও রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু সেই খাবার সংগ্রহ করতে তিনতলা বা দোতলা থেকে নীচে নেমে আসতে হচ্ছে। এতে আক্রান্তদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে।

তাঁরা বলছেন,আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই বয়স্ক ব্যক্তি রয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে তাদের অনেকের মধ্যেই শ্বাসকষ্ট রয়েছে। এরপর সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা করতে গিয়ে সেই শ্বাসকষ্ট আরও বাড়ছে।এতে কাহিল হয়ে পড়ছেন অনেকেই।তাই খাবার যাতে আক্রান্ত কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়া হয় এবং যাতে লিফট চালু করার ব্যবস্থা করা হয় সেজন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তারা। এ ব্যাপারে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, ইতিমধ্যেই সেফ হোমে লিফট বসানো হয়েছে।তা যাতে অবিলম্বে চালু করে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কোভিড হাসপাতালে আক্রান্তদের রাখার খরচ অনেক। সেই খরচ বহন করছে জেলা প্রশাসন। তাছাড়া সেই হাসপাতালে বেড সংখ্যা নির্দিষ্ট। বেশি সংখ্যক আক্রান্তকে কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় আনতে জরুরি প্রয়োজন এমন আক্রান্তদের সেখানে রাখা হচ্ছে। বিপদমুক্ত হয়ে গেলে তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেফ হোমে। সেখানেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেই দুবেলা খাবার ও টিফিন সরবরাহ করা হচ্ছে। তা সংগ্রহ করতে রোগীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করা হবে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

Published by: Arka Deb
First published: October 7, 2020, 9:50 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर