corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আটকাতে লকডাউন নিশ্চিত করতেই হবে, বর্ধমানে এলাকায় এলাকায় অভিযান পুলিশের

করোনা আটকাতে লকডাউন নিশ্চিত করতেই হবে, বর্ধমানে  এলাকায় এলাকায় অভিযান পুলিশের
বিনা কারণে রাস্তায় বেরনো আটকাতে তৎপর পুলিশ।

বর্ধমান থানার পুলিশ জানিয়েছে,খুব প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দারা যাতে ঘরের বাইরে পা না দেন তা নিশ্চিত করতেই বাড়তি তৎপরতা দেখানো হচ্ছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরে লকডাউন নিশ্চিত করতে পথে নামল পুলিশ। শহরের বিভিন্ন জায়গায় টহল দিচ্ছে পুলিশ ভ্যান। রাস্তায় ভিড় দেখলেই ভ্যান থেকে নেমে পুলিশকর্মীরা জমায়েত হঠিয়ে দিচ্ছে। সেইসঙ্গে রাস্তায় বসা হকারদের বিক্রি বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে বলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে লকডাউন নিশ্চিত করতে প্রথম দিন থেকেই কড়া পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে পুলিশকে।

বর্ধমান শহরে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকল বুধবার সকাল থেকে একটানা সাত দিন লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। চিকিৎসা পরিষেবা ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীকে লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।মঙ্গলবার রাতেই বর্ধমান শহরের পঁয়ত্রিশটি ওয়ার্ডে লকডাউনের নির্দেশিকা জারি করেছিল জেলা প্রশাসন।

বুধবার সকাল থেকেই বর্ধমানের কোর্ট  কম্পাউন্ড, গোদা, গোলাপবাগ সহ বিভিন্ন এলাকায় চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান খুলতে দেখা গিয়েছিল। ফল নিয়ে পসরা সাজিয়েছিলেন বিক্রেতাদের অনেকেই। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয়তা বাড়ায় বর্ধমান থানার পুলিশ। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের গাড়ি টহল দেওয়া শুরু করে। বন্ধ করে দেওয়া হয় চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান। বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বিক্রেতাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, অনেকের কাছে লকডাউনের খবর ছিল না ধরে নিয়ে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হল। আগামী সাত দিনে ফের তাঁরা দোকান খুললে আইনানুগ কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিনও অলিতে গলিতে অনেকেই দোকান খুলে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। পুলিশের গাড়ি তাদের দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। সেই সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট, বীরহাটা,পুলিশ লাইন, গোলাপবাগ মোড় এলাকায় সকাল থেকেই পুলিশের নজরদারি ছিল পথচলতি বাসিন্দাদের ওপর। বাসিন্দাদের আটকে রাস্তায় বের হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়  অনেকেই বাজার করার প্রয়োজনে বা চিকিৎসা প্রয়োজনে বাইরে বেরিয়েছেন বলে পুলিশকে জানান। সন্তোষজনক উত্তর না পেয়ে পুলিশ অনেককে বাড়িও বাড়ি ফিরিয়ে দেয়। বাজার করতে যাওয়া বাসিন্দাদের স্থানীয় দোকান থেকে সবজি বা প্রয়োজনের টুকিটাকি কিনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাদের আগামী সাতদিন বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর জন্য আবেদন করা হয়।

বর্ধমান থানার পুলিশ জানিয়েছে,খুব প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দারা যাতে ঘরের বাইরে পা না দেন তা নিশ্চিত করতেই বাড়তি তৎপরতা দেখানো হচ্ছে। অনেক এলাকাতেই এলাকার যুবকদের জটলার খবর আসছে। সেই সব এলাকায় পুলিশি অভিযান চলছে। পুরোপুরি লকডাউন সুনিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান চলবে।

Published by: Arka Deb
First published: July 22, 2020, 5:25 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर