করোনা মোকাবিলায় এক লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য এই পুজো কমিটির

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে তৈরি হওয়া সংকটে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল বর্ধমানের লাল্টু স্মৃতি সংঘ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে তৈরি হওয়া সংকটে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল বর্ধমানের লাল্টু স্মৃতি সংঘ।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনার জেরে গৃহবন্দি পুরুষ মহিলারা। চলছে একুশ দিনের লক ডাউন। নানান সমস্যায় পড়ছেন অনেকেই। কাজ বন্ধ। তাই রোজগারও বন্ধ। দিন আনি দিন খাই পরিবারগুলিতে চাল ডাল বাড়ন্ত। অর্থের অভাবে আর পাঁচ জনের মতো হুড়োহুড়ি করে খাদ্য সামগ্রী মজুত করতে পারেনি তারা। লক ডাউনের মাঝেই তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হল বর্ধমানের বেশ কয়েকটি ক্লাব, দুর্গাপুজো কমিটি। অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও চাল আলু দরিদ্র পরিবারের মধ্যে বন্টনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে তৈরি হওয়া সংকটে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল বর্ধমানের লাল্টু স্মৃতি সংঘ। মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এক লক্ষ টাকা জমা দিল তারা। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতীর হাতে এক লক্ষ টাকার  চেক তুলে দেন ক্লাবের সম্পাদক তন্ময় সামন্ত। বিগ বাজেটের দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম বর্ধমানের লাল্টু স্মৃতি সংঘ। সারা বছরই নানান সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকার বাসিন্দাদের পাশে থাকে তারা। ক্লাবের সম্পাদক তন্ময়বাবু বলেন, এই সময় এলাকার ক্লাব পুজো কমিটিগুলি গুরুত্বপূর্ণ্ ভূমিকা নিতে পারে। সেই তাগিদ থেকে আমাদের এই প্রয়াস। আরও অনেকেই সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াবে বলে আশা রাখি।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার  গ্রাম পঞ্চায়েতের বালসিডাঙ্গার জনকল্যাণ ক্লাবের উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হলো মাস্ক ও সাবান।খুশি এলাকার সাধারণ মানুষ।বালসিডাঙ্গার জনকল্যাণ ক্লাব সারা বছর ধরে নানান সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ক্লাবের সদস্য বিপ্লব সামন্ত জানান,সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মানুষজন বাড়ি থেকে বেরোতে পারছে না ।গরিব মানুষ মাস্ক  কিনতে পারছে না বাজার থেকে। অধিকাংশ দোকানে পাওয়া যাচ্ছে না।তাই আমরা  বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছি সাবান ও মাস্ক। প্রতিটি মানুষকে বাড়িতে থাকার বার্তা দিচ্ছি।

কোন গুজব ছড়াতে নিষেধ করছি। কারও জ্বর সর্দি হলে তাকে ব্লক হসপিটালের চিকিৎসা করার নির্দেশ দিচ্ছি।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন সংগঠন ক্লাব পুজো কমিটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নানা ভাবে এগিয়ে আসছে। কেউ হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করছে, কেউ দরিদ্র পরিবারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে খাদ্য সামগ্রী, কেউ রান্না করা খাবার পৌঁছে দিচ্ছে অভুক্তদের। আমরা সবাইকেই ভিড় এড়িয়ে দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করার কথা বলছি।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: