করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বেড়েই চলেছে সংক্রমণ, উদ্বিগ্ন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা

বেড়েই চলেছে সংক্রমণ, উদ্বিগ্ন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা
করোনা ঘুম ছোটাচ্ছে বর্ধমানের।

শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানের বাসিন্দারা।

  • Share this:

 বর্ধমান: বর্ধমান শহরে লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আট মাস পরও সংক্রমণে রাশ টানা না যাওয়ায় উদ্বিগ্ন এই শহরের বাসিন্দারা। গত চব্বিশ ঘন্টায় এই শহরে ফের নতুন করে ছাব্বিশ জন আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিদিনই এই শহরে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানের বাসিন্দারা।

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে জেলার মধ্যে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এই শহরে। জনবসতির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণেই করোনার সংক্রমণ এই শহরে সবচেয়ে বেশি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, শহরে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। অথচ বাসিন্দাদের মধ্যে সেই সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অনেকে মাস্ক ব্যবহার করলেও মুখে লাগাচ্ছেন না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়াই বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে শহরে কেনাকাটা করছেন।সেই সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে অনেকেরই কোনও ভ্রুক্ষেপ থাকছে না। এসব কারণেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

বর্ধমান শহরে গত চব্বিশ ঘন্টায় ছাব্বিশ জনের আক্রান্ত হয়েছেন। তার আগের দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন দশ জন। রবিবার এই শহরে বত্রিশ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। শনিবার আক্রান্ত হয়েছিলেন তের জন। ২৮ নভেম্বর এই শহরে পঁচিশ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তেমনই ২৭ নভেম্বর এই শহরে আক্রান্ত হয়েছিলেন উনিশ জন। তার আগের দিন ২৬ শে নভেম্বর এই শহরে পনেরো জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। ২৫ নভেম্বর  আক্রান্ত হয়েছিলেন দশ জন। ২৪ নভেম্বর একুশ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন।

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এলাকায় এলাকায় ক্যাম্প করে নমুনা পরীক্ষা বা বাড়ি বাড়ি ঘুরে করোনার উপসর্গ থাকা বাসিন্দাদের চিহ্নিত করা না হচ্ছে না, অথচ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিষয়টি তাই এখনও যথেষ্ট উদ্বেগের। তাঁরা বলছেন, নমুনা পরীক্ষা বাড়ানো হলে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শহরে উপসর্গ থাকা আক্রান্তদের থেকে উপসর্গহীন আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। অনেকেই নিজেদের অজান্তেই করোনার উপসর্গ বহন করে বেড়াচ্ছেন। তাদের মধ্য দিয়ে অনেকেই সংক্রমিত হচ্ছেন। তাই এখনও সমান সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। খুব প্রয়োজন ছাড়া অহেতুক ঘরের বাইরে পা দেওয়া উচিত নয়। খুব প্রয়োজন বাইরে বের হতে হলে মাস্কে মুখ ঢাকা নিশ্চিত করতে হবে। সেইসঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজা রাখা উচিত। পাশাপাশি সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া বা বারেবারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা জরুরি।

Published by: Arka Deb
First published: December 3, 2020, 11:14 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर