• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা বাসস্ট্যান্ডে পড়ে রইল সম্ভাব্য করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নিন্দার ঝড়

দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা বাসস্ট্যান্ডে পড়ে রইল সম্ভাব্য করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নিন্দার ঝড়

দিন কয়েক ধরে জ্বর-সহ একাধিক উপসর্গ ছিল মারুতি নাগর (৪৫)  নামে ওই ব্যক্তির শরীরে।

দিন কয়েক ধরে জ্বর-সহ একাধিক উপসর্গ ছিল মারুতি নাগর (৪৫) নামে ওই ব্যক্তির শরীরে।

দিন কয়েক ধরে জ্বর-সহ একাধিক উপসর্গ ছিল মারুতি নাগর (৪৫) নামে ওই ব্যক্তির শরীরে।

  • Share this:

    #হাভেরি, কর্ণাটক: বাসস্ট্যান্ডে দীর্ঘক্ষণ পড়ে রইল সম্ভাব্য করোনা আক্রান্তের দেহ। ঘটনাকে ঘিরে চরম আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়। অভিযোগ, ওই রোগী মারা যাওয়ার পরে হাসপাতালে খবর দেওয়া হয়। তৎক্ষণাৎ কোভিড হাসপাতালের কর্মীরা এসে দেহটি প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনেই পিপিই-তে মুড়ে রেখে চলে যান। তারপর দীর্ঘক্ষণ সেখানেই পড়েছিল দেহ। সেই ছবিই মোবাইল বন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এলাকারই কেউ। তারপরেই তা নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়।

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক ধরে জ্বর-সহ একাধিক উপসর্গ ছিল মারুতি নাগর (৪৫)  নামে ওই ব্যক্তির শরীরে। তাই  ভেবেছিলেন স্থানীয় রানেবেন্নুর কোভিড হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করাবেন। সেই মতো হাসপাতালে যান তিনি। চিকিৎসকরা নিয়ম মতোই তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করেন পরীক্ষার জন্য। এরপর হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানান হয় ২৮ জুন রিপোর্ট দেওয়া হবে।

    জানা গিয়েছে, ২৮ জুন শারীরিক অবস্থা অনেকটাই অবনতি হয়েছিল ওই ব্যক্তির। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়মতো রিপোর্ট নেওয়ায় জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন তিনি। বেলা এগারো'টা নাগাদ হাসপাতালে পৌঁছন। কিন্তু তখনও রিপোর্ট এসে না পৌঁছনোয় তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। এরপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে বিশ্রাম নেবেন ছায়ার বসে। যদিও সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

    স্থানীয়রা জানিয়েছে, ব্যক্তি মারা গিয়েছেন বুঝতে পেরেই হাসপাতালে খবর দেওয়া হয়। তৎক্ষণাৎ রানেবান্নুর দুই কর্মী এসে দেহ পিপিই-তে মুড়ে ফেলেন। তারপর সেখানেই রেখে চলে যান। অভিযোগ, প্রায় ৩ ঘণ্টা বাসস্ট্যান্ডের মতো জায়গায় পড়েছিল দেহ। তারপর হাসপাতালে কর্মীরা এসে অ্যাম্বুল্যান্সে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যান শেষকৃত্যের জন্য। অমানবিক এই ঘটনায় সাড়া পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। হাসপাতালে কর্মীদের কর্তব্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কর্ণাটকে এমন কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা করেছে।

    ডিএইচও রাজেন্দ্র ডোড্ডামানি এ প্রসঙ্গে বলেন, "অভিযোগ এসেছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ এখনও জানতে পারেনি, হাসপাতালের কর্মীরা কেন দেহ সৎকারের জন্য না নিয়ে গিয়ে এভাবে ফেলে রেখে দিয়েছিল। তবে অভিযুক্তেরা দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি পাবেন।"

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: