লক ডাউনের মাঝেই অনুষ্ঠিত হল রক্তদান শিবির!

লক ডাউনের মাঝেই অনুষ্ঠিত হল রক্তদান শিবির!

লক ডাউন। ঘর থেকে বেরলেই সমূহ বিপদের আশংকা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এলেন বেশ কয়েক জন পুরুষ মহিলা।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: লক ডাউন। ঘর থেকে বেরলেই সমূহ বিপদের আশংকা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এলেন বেশ কয়েক জন পুরুষ মহিলা। অসুস্থ সংকটাপন্ন পুরুষ মহিলাদের জন্য রক্ত দান করলেন তাঁরা। এই চরম বিপদের দিনেও তাঁরা রক্ত দানে এগিয়ে আসায় খুশি রোগীর আত্মীয়রা। সংকটের মুহূর্তে রক্ত দান করতে পেরে তৃপ্ত রক্ত দাতারাও। বর্ধমানের শালবাগানে সর্বমিলন সংঘের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার এই রক্ত দান শিবির হলো। রক্ত দিলেন ত্রিশ জন।

লক-ডাউন ও করোনা বিপর্যয়ের জেরে রক্তের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। রক্তাল্পতায় ভুগছে পূর্ব বর্ধমান জেলার ব্লাড ব্যাংকগুলি। রক্ত নেই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকেও। করোনা আতংকে সমাবেশ নিষিদ্ধ হওয়ায় রক্ত দান শিবির বন্ধ হয়েছিল আগেই। এখন লক ডাউনের জেরে সবাই গৃহবন্দি।

রক্তদান শিবির না হওয়ায় রক্তের জোগান একেবারেই কমে গিয়েছে। গতকাল বর্ধমান মেডিকেল কলেজের তরফে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে রক্ত দানের আহ্বান জানানো হয়। মূলত ছোট আকারে শিবির আয়োজন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রথম রক্তদান শিবিরটি হলো বর্ধমানের শালবাগানে। সর্বমিলন সঙ্ঘ নামে একটি সংস্থা এই শিবির আয়োজন করে। এখানে কয়েকজন মহিলাসহ ত্রিশ জন রক্তদান করেন। অনাড়ম্বরভাবে শিবির আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, নির্দিষ্ট দূরত্ব ও নিয়মবিধি মেনেই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। রক্তদাতারা এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে লাইনে দাঁড়িয়ে একে একে রক্ত দান করেন। সংকটাপন্ন মানুষের জন্য রক্তদান করতে পেরে খুশি সকলেই।

রক্তের সংকট কাটাতে লক ডাউন চলাকালীন প্রতিদিন দশ ইউনিট করে রক্ত দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাংকে এই রক্ত দেবেন পুলিশ কর্মীরা। আমরা এক দিনে অনেক বেশি রক্ত দিতে পারতাম। তাতে ভিড় হতে পারে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ব্যাহত হতে পারে। তাই কুড়ি দিনে দুশো ইউনিট রক্ত দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে আমরা।

First published: March 26, 2020, 4:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर