corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিড ডে মিলের আলু ও চালের সঙ্গে কেন বিস্কুট, সাবান ও মুড়ি? দুই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের থেকে কৈফিয়ৎ তলব

মিড ডে মিলের আলু ও চালের সঙ্গে কেন বিস্কুট, সাবান ও মুড়ি? দুই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের থেকে কৈফিয়ৎ তলব

ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি শিক্ষক সংগঠনের তরফে এই বিষয় নিয়ে জেলা স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে এই চিঠি প্রত্যাহারের দাবি রাখা হয়েছে। যদিও এই বিষয় নিয়ে ওই দুই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • Share this:

#কলকাতা: মিড ডে মিলের আলু ও চালের সঙ্গে কেন দেওয়া হল সাবান,বিস্কুট ও মুড়ি। তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিষ্ণুপুর ১ নম্বর ব্লকের দুটি প্রাথমিক স্কুলে। এব্যাপারে অভিভাবকদের অভিযোগ জমা পড়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরে ৷

সূত্রের খবর, বিষ্ণুপুর 1 নম্বর ব্লকের মধ্যেই কাস্তে কুমারী ফ্রি প্রাইমারি স্কুল এবং লাল বাহাদুর ফ্রি প্রাইমারি স্কুল-এ মিড ডে মিল এর সঙ্গে সাবান ও বিস্কুট দেওয়া হয়। অভিযোগ এর সঙ্গে মুড়িও দেওয়া হয়েছে।  তার জেরে এই দুই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের থেকে কৈফিয়ত তলব করেছেন বিষ্ণুপুর ১ নম্বর ব্লকের sub-inspector অফ স্কুলস।

স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গিয়েছে মিড ডে মিলের আওতায় এই দু'টি স্কুল থেকেই ৩ কেজি করে আলু ও চাল দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকটি ছাত্র-ছাত্রীদের। তার সঙ্গে নিজেদের টাকাতেই বিস্কুট সাবান ওমুড়ি দেওয়া হয় এই ছাত্র-ছাত্রীদের। যার জেরে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য স্কুলগুলিতে অভিভাবকরা ঝামেলা করেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই এই ব্লকের সাব ইন্সপেক্টর অফ স্কুল ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের থেকে কৈফিয়ত তলব করেছেন।যদিও এই  কৈফিয়ৎ তলব করা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী,  গত ২০ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেওয়া হবে মিড ডে মিল। এবার সেই মিড-ডে-মিল নিয়েই তৈরি হল বিতর্ক। মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুটি প্রাইমারি স্কুলের আলু ও চালের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে বিস্কুট,মুড়ি ও সাবান।মূলত এই স্কুল দুটিতে  নিজেদের উদ্যোগেই ছাত্র-ছাত্রীদের মুড়ি,সাবান ও বিস্কুট দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে ওই দুই স্কুলে বিস্কুট মুড়ি সাবান দেওয়ার জন্য  পার্শ্ববর্তী স্কুলগুলিতে অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। তার জেরেই এই সমস্যা তৈরি হয়।

মূলত নিয়মের বাইরে গিয়ে কেন ছাত্র-ছাত্রীদের বিস্কুট মুড়ি ও সাবান দেওয়া হল তার জন্যই কৈফিয়ৎ চাওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি শিক্ষক সংগঠনের তরফে এই বিষয় নিয়ে জেলা স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে এই চিঠি প্রত্যাহারের দাবি রাখা হয়েছে। যদিও এই বিষয় নিয়ে ওই দুই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্রের খবর এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই স্কুুল শিক্ষা সচিব স্থানীয় বিডিও এর সঙ্গে কথা বলেছেন।

Somraj Bandopadhyay

First published: April 25, 2020, 10:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर