চলছিল রোজা, তাতে কি করোনা আক্রান্তকে প্লেটলেট দিলেন যুবা, দারুণ কাজ বীরভূম ভলেন্টরি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের

মানুষের পাশে দাঁড়াতে নতুন এই উদ্যোগ, লাভবান হচ্ছেন সাধারণ মানুষ৷

মানুষের পাশে দাঁড়াতে নতুন এই উদ্যোগ, লাভবান হচ্ছেন সাধারণ মানুষ৷

  • Share this:

#বীরভূম: কোরোনা রোগিদের কাছে আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ালো বীরভূম ভলেন্টরি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্যের রক্তদান আর কাজে লাগলো সদ্য কাজ শুরু করা সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ব্লাড সেপারেশান ইউনিটের সিস্টেম। আগে রক্তের প্লেটলেট পেতে বীরভূমের রোগীর আত্মীয়দের ছুটতে হতো বিভিন্ন জেলাতে বা কলকাতায়।

এখন তা মিলছে বীরভূমেই , ছুটতে হচ্ছে না দূরে কোথাও। জরুরিকালীন ভিত্তিতে রক্তের প্লেটলেটের প্রয়োজন ছিল বোলপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা কোরোনা আক্রান্ত এক বয়স্কা মহিলার । বীরভূম ভলেন্টরি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কাছে তার সেই এই খবর এসে পৌঁছায়। খবর আসা মাত্রই প্লেটলেট পাওয়ার চেষ্টা শুরু করে তারা। বীরভূমের সদর শহর সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হসপিটালে ব্লাড সেপারেশন ইউনিট চালু হওয়াতে প্লেটলেট পেতে ছুটতে হয়নি অন্য কোন জেলায়, আকাশ ছোঁয়নি প্লেটলেটের চিন্তা। বীরভূম ভলেন্টরি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিয়নীল পাল ও মশারফ হোসেনের তৎপরতায় সিউড়ি সংলগ্ন এক গ্রামে শেষ রোজা রাখার দিনে রোজা রাখা অবস্থায় রক্তদানে আগ্রহী হয় শেখ জামির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। রোজা রাখা অবস্থায় পৌছে যান তিনি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে। সিউড়ি ব্লাড ব্যাঙ্ক তথা সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার শোভন দে -র সহযোগিতায় অতি তৎপরতার সঙ্গে সরকারি নিয়ম মেনে সেই রোগীকে প্লেটলেট পাঠানো হয়।

বর্তমান কোরোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে দেখা যাচ্ছে রক্তের সংকট । অন্যান্য রুগীদের সাথে সাথে এখন রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে কোরোনা রুগীদেরও । তাই ব্লাড ব্যাঙ্কে  এই রক্তের চরম অভাব। তাই সব কথা মাথায় রেখে রক্ত দেওয়ার কথাও মনে রাখতে হবে৷  আর এই ভাবনা থেকেই সিউড়ি ব্লাড ব্যাঙ্ক যে রকম ভাবে সহযোগিতা করেছে তার জন্য সিউড়ি ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে অব্যহত রাখলো বীরভূম ভলেন্টরি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশন৷

Supratim Das

Published by:Debalina Datta
First published: