• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পুলিশকর্মীদের মধ্যে ক্রমশ ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, এবার করোনা পজিটিভ বিধাননগর কমিশনারেটের মহিলা কনস্টেবল

পুলিশকর্মীদের মধ্যে ক্রমশ ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, এবার করোনা পজিটিভ বিধাননগর কমিশনারেটের মহিলা কনস্টেবল

 এই পুলিশকর্মী থানায় কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখে প্রত্যেককে কোয়ারেন্টাইন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এই পুলিশকর্মী থানায় কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখে প্রত্যেককে কোয়ারেন্টাইন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এই পুলিশকর্মী থানায় কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখে প্রত্যেককে কোয়ারেন্টাইন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা সংক্রমণ বাড়ছে পুলিশে ৷  মানিকতলা থানার মহিলা সাব-ইনস্পেকটরের পর করোনা আক্রান্ত আরও এক মহিলা পুলিশকর্মী ৷ এবার নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বিধাননগর কমিশনারেটের মহিলা কনস্টেবল ৷ সর্দি-জ্বর থাকায় গৃহ পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি ৷ পাঁচদিন হোম কোয়ারেন্টাইন থাকার পর বেলেঘাটা নাই সেডে নমুনা পরীক্ষায় পাঠানো হলে সোমবার রিপোর্ট পজিটিভ আসে ৷ তৎক্ষণাৎ সল্টলেক আমরিতে ভর্তি করানো হয়েছে ওই পুলিশকর্মীকে ৷ কলকাতা পুলিশের এই আধিকারিক কিভাবে করোনা আক্রান্ত হলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই পুলিশকর্মী থানায় কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখে প্রত্যেককে কোয়ারেন্টাইন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    রবিবারই কলকাতার মানিকতলা থানার মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলে। তাকে ইএম বাইপাসের পাশে দিশান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই হাসপাতালটি করোনা হাসপাতাল হিসেবে চিহ্নিত। গত চার দিন ধরেই তার জ্বর, কাশি,মাথা ধরা ছিল। এরপর বেলেঘাটা নাই সেডে লালা রস পরীক্ষা করলে দেখা যায় করোনা পজিটিভ। আপাতত ওই মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর সংস্পর্শে আসা ৯ জন পুলিশকর্মীকে কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। এদের প্রত্যেকের লালা রসের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

    কলকাতার পুলিশ মহলে প্রথম বন্দর এলাকার গার্ডেনরিচ থানার ওসি নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি বর্তমানে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরপর গত রবিবার সাইন্স সিটির পাশে প্রগতি ময়দান থানার ওসি করোনা আক্রান্ত হন। অন্যদিকে উত্তর কলকাতার জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডের এক সার্জেন্ট করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মঙ্গলবারই গোটা ট্র্যাফিক গার্ড বন্ধ করে জীবাণুমুক্ত করা হয়। জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডকে কন্টেইনমেন্ট এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে বড়তলা থানার একাধিক পুলিশ কর্মীও করোনা আক্রান্ত হন বলে জানা যায়।এরই মাঝে বউবাজার থানার ওসি এবং এক পুলিশ কর্মী করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হন।

    পরপর বিভিন্ন থানার শীর্ষ আধিকারিকরা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের মধ্যে যথেষ্টই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবারই কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা উত্তর-মধ্য এবং পূর্ব কলকাতার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন বিভিন্ন থানা ঘুরে ঘুরে তিনি পুলিশ কর্মীদের মনোবল যোগান।প্রত্যেকে যেন উপযুক্ত সুরক্ষা নিয়ে কাজ করেন তাঁর নির্দেশ দেন। করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসক, নার্স,স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে লকডাউন মোকাবিলায় দিনরাত কাজ করছেন পুলিশকর্মীরা। এ ছাড়া হাসপাতালের ডিউটি থেকে শুরু করে নাকা চেকিং, আইনশৃঙ্খলার বজায় রাখার কাজে অনেকের সংস্পর্শেই আসতে হচ্ছে পুলিশ কর্মীদের। ফলে ঝুঁকির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। সে কারণে সব পুলিশ কর্মীকে ডিউটির সময় ঘন ঘন হাত স্যানিটাইজ করতে বলা হচ্ছে। সব রকম সুরক্ষা নিয়ে তাদের কাজ করতে বলা হচ্ছে। পর্যাপ্ত মাস্ক, গ্লাভসের যোগান রয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। সেই সঙ্গে থানা, ট্রাফিক গার্ডে জীবাণুনাশক স্প্রে করাও হচ্ছে। তার পরেও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে অনেকেই করোনা আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছেন। তা নিয়ে পুলিশকর্তাদের পাশাপাশি উদ্বেগে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরও।

    Published by:Elina Datta
    First published: