corona virus btn
corona virus btn
Loading

ওষুধের দোকানেই মর্মান্তিক মৃত্যু! ৬ ঘণ্টা বিহারের রাস্তায় পড়ে রইল দেহ, করোনা সন্দেহে ছুঁয়ে দেখলেন না কেউ

ওষুধের দোকানেই মর্মান্তিক মৃত্যু! ৬ ঘণ্টা বিহারের রাস্তায় পড়ে রইল দেহ, করোনা সন্দেহে ছুঁয়ে দেখলেন না কেউ

মর্মান্তিক, অমানবিক, লজ্জাজনক ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের ভাগলপুরে।

  • Share this:

#ভাগলপুর: শ্বাসকষ্ট হয়েছিল সম্ভবত। তাই ওষুধ কিনতে দোকানে এসেছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে বাড়ি ফেরা হল না। ওষুধ কিনে দোকান থেকে বেরতে গিয়ে পড়ে যান। ধীরে ধীরে মৃত্যু হয় তাঁর। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এ দিন তাঁকে পড়ে যেতে দেখেও এগিয়ে আসেননি কেউ। এক ফোঁটা জল পর্যন্ত পাননি মৃত্যু পথযাত্রী এই ব্যক্তি। করোনা সন্দেহে দোকান বন্ধ করে দেন দোকানের মালিক।

তবে এখানেই শেষ নয়। ওই ব্যক্তি টানা ছ'ঘণ্টা পড়েছিলেন খোলা রাস্তায় কাঠফাটা রোদের মধ্যে। সেই সময়ের মধ্যে একাধিক বার পুলিশ, হাসপাতাল, কোভিড হেল্পলাইন, পুরসভাতে ফোন করেছিলেন দোকানের মালিক থেকে স্থানীয়রা। কিন্তু কারও দেখা মেলেনি। কেউ করোনা আতঙ্কেই কেউ সাহস করে কাছে ঘেঁষেননি।

বুধবার মর্মান্তিক, অমানবিক, লজ্জাজনক ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের ভাগলপুরে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওষুধের দোকানে এসে হঠাত্‍‌ই ওই ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি। তবে তার পর কখন মৃত্যু হয়েছে তাঁর, তা দূর থেকে সকলে দেখলেও সকলেরই অজানা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলেও, দীর্ঘক্ষণ পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

দোকানের কেমিস্ট মহম্মদ মুস্তাক খান জানিয়েছেন, মৃত ওই ব্যক্তি অ্যাজমার পাম্প কিনতে এসেছিলেন। টাকা মিটিয়ে দোকান থেকে বেরতে গিয়ে পড়ে যান। কিন্তু করোনা সংক্রমণের ভয়ে কেউ তাঁকে তোলার সাহস দেখাননি। তিনি জানান, অ্যাম্বুল্যান্সে ফোন করায়, তারা এসেছিল কিন্তু তাঁকে না নিয়েই ফিরে যায়। পুলিশ এসেও প্রথমবার ফিরে যায়। তার পর ছ'ঘণ্টা ওভাবেই পড়েছিল দেহ।

মুস্তাক বলেন, 'আমি স্থানীয়দের অনেকের কাছে আবেদন করেছি। কোভিড হেল্পলাইনে ফোন করেছি। পুলিশকে জানিয়েছি। দোকানের সামনে জড়ো হওয়া পথচলতি অনেককেই বলেছি সহযোগিতার জন্য। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। শেষ পর্যন্ত ডেপুটি মেয়রের সাহায্যপ্রার্থী হলে, তাঁর নির্দেশে ছ'ঘণ্টা পর পুরসভার লোক আসে। পিপিই কিট পরে কর্মীরা মৃতদেহ তুলে নিয়ে যান।

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 16, 2020, 3:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर