corona virus btn
corona virus btn
Loading

গৃহবন্দি বাঙালি, ফল-সবজি না মেলায় নমো নমো করেই লক্ষ্মী পুজো

গৃহবন্দি বাঙালি, ফল-সবজি না মেলায় নমো নমো করেই লক্ষ্মী পুজো

লক্ষ্মী পুজোর ভোগে টান ৷

  • Share this:

#কলকাতা: বৃহস্পতিবার ঘরে ঘরে লক্ষ্মী পুজো। রান্না হয়েছে ভোগের খিচুড়ি ও পায়েস। যদিও ভোগ প্রসাদ দেওয়া যাবে না। আর বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকায় ফল থেকে আনাজ হয়ে চাল, ডাল সেটিও মিলছে বাড়ন্ত। তাই নমো নমো করেই চৈত্রের লক্ষ্মী পুজো সারল বাঙালি।

শেষ কবে লক্ষ্মী পুজোয় বাঙালির ভোগ নিয়ে এমন টানাপোড়েন হয়েছে তা মনে করতে পারছেন না কেউই। গোটা দেশে ২১ দিনের জন্য জন্য লকডাউন জারি হয়েছে। এই অবস্থায় জরুরি কাজ ছাড়া কেউই বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না। ফলে যারা ভেবেছিলেন হাতে সময় নিয়ে চৈত্রের লক্ষীর জন্য ফল থেকে ভোগের সামগ্রী কিনে নিয়ে আসবেন, তাদের হতাশ হয়েই ফিরতে হল বাড়িতে। জেলার  একাধিক বাজারে শসা ছাড়া আর কিছু পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। বেশ কিছু বাজারে আপেল আর আঙুর পাওয়া গেলেও তার দাম এতটাই চড়া যে অনেকে কেনার সাহস দেখাচ্ছেন না। একই অবস্থা ভোগের সামগ্রীতেও।

চাল, ডাল বাড়ন্ত। খিচুড়ি রান্না হয়েছে তাই অল্প। ফলে বৃহস্পতিবারের লক্ষ্মীপুজোয় যারা নিমন্ত্রিত থাকেন, তারাও বাড়ি বসে শুধু পুরনো স্মৃতি  মনে করেছেন। মিষ্টির দোকান বন্ধ। দুধের জোগানও দিতে হচ্ছেনা। আর শুধু পুজো বাড়ির জন্য দুধ দিতে বেরোলে হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বিক্রেতাকে। ফলে একটা বা দুটো বাড়ির জন্য দুধ দিতে বেরোচ্ছেন না বিক্রেতারাও। ফলে ভোগের পায়েস হয়নি অনেক বাড়িতেই। অসুবিধায় পড়েছেন পুরোহিতরাও। মুখে মাস্ক পড়ে পুজোয় বসলেও, রাস্তায় পুলিশের কাছে হাজারো জবাব দিতে হয়েছে। যদিও সেই জবাব পেরিয়ে পুজোর আসনে বসলেও তিনি দুরে দুরে থাকতে বলেছেন বাড়ির সবাইকে। ফলে দুরত্ব বজায় রেখেই তবে পুজোর অঞ্জলি দিয়েছেন তিনি। ফলে বছরের শেষ লক্ষী পুজোতেও বাধ সেজেছে করোনা। পুজো করতে বেরিয়ে যে এমন অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে তা কস্মিনকালেও ভাবেন নি পুরোহিত মশাই। এমনই একজন অজিত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই যা অবস্থা তাতে তো ঠাকুরের থেকেও দুরে দুরে থাকতে হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে অন্নপূর্ণা পুজো হবে না বলেই মনে হচ্ছে। আর ঘরের লক্ষ্মী পুজোয় এমন হবে তা ভাবিনি। পুরোহিত মশাইয়ের কথায় সহমত গৃহিণীরাও। তাদেরই একজন ঐন্দ্রিলা বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, ‘‘ভাইরাসের জন্য যেখানে ঠাকুরও ঘরে ঘরে ভোগ পাচ্ছেন না সেখানে আমরা কোন ছাড়। ভালোয় ভালোয় পুজো হয়ে গেলেও আগামিদিনে কি হবে তা নিয়ে চিন্তায় বাড়ির লক্ষীরা।’’

Abir Ghoshal        

First published: March 26, 2020, 1:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर