corona virus btn
corona virus btn
Loading

করজোড়ে বাড়ি ফেরানোর আর্জি ! কেরলে আটকে বাংলার শ্রমিকরা !

করজোড়ে বাড়ি ফেরানোর আর্জি ! কেরলে আটকে বাংলার শ্রমিকরা !

লকডাউনের জেরে কেরলে কাজে গিয়ে আটকে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের শতাধিক নির্মাণ শ্রমিক।

  • Share this:

#বর্ধমান:  লকডাউনের জেরে কেরলে কাজে গিয়ে আটকে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের শতাধিক  নির্মাণ শ্রমিক। কেরলের মাল্লাপুরম জেলার কোট্টাকাল থানা এলাকায় তাঁরা গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন। হোটেল,বাজার বন্ধ থাকায় কয়েক দিন ধরে  খাবারও জুটছে না।  মঙ্গলকোটের আওগ্রাম, নওয়াপাড়া, মহর্তুবা,খুর্তবা গ্রামের অসহায় যুবকরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ঘরে ফেরাবার আবেদন করছেন। একই ঘরে ২০ জনের বেশি যুবক গাদাগাদি করে কোন রকমে  থাকছেন।   যতদিন যাচ্ছে অর্থ কমে আসছে। খাবারের অভাব দেখা দিচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, কেরলের স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে তেমন কোনও সহযোগিতা মিলছে না। রাজ্যে ফেরানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কাতর আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা। কেরলের অন্যত্রও পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু বাসিন্দা আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অনেকে এখনও রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে না পেরে অসহায় বোধ করছেন।

অন্যদিকে লক ,ডাউনের জেরে আটকে পড়া ১৬০ জন শ্রমিককে কাটোয়া মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে  নিয়ন্ত্রিত বাজার কমিটির একটি ভবনে  রাখা হয়েছে। তারা বিহারের ভাগলপুর থেকে এসেছিল। শ্রমিকদের খাবার জন্য চাল, ডাল সবজি পুরসভা থেকে দেওয়া হচ্ছে।কাটোয়া পুরসভার পক্ষ থেকে  শ্রমিকদের ব্যবহারের   জন্য  বেশ  কয়েকটি শৌচালয় ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।  বিদ্যুতের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।

 কাটোয়া থানার পক্ষ থেকে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশি নজরদারি চলছে।নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হচ্ছে।  আটকে পড়া শ্রমিকরা রাজ্য সরকারের এই ব্যবস্থায় খুবই আপ্লুত হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন। উকিল কুমার,  বুধনি দেবী, পার্বতী দেবীরা আক্ষেপ করে বলছেন  এই দুঃসময়ে আমাদের নিজেদের রাজ্য ঢুকতেই দিল না।সেখানে বাংলার সরকার আমাদের খুবই ভাল ভাবে রেখে দিয়েছে। তবে বাড়ির জন্য মন টানছে। তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার যাতে তাদের  বাড়ি ফেরাবার ব্যবস্থা করে সেই আবেদনও করছেন তাঁরা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বর্ধমান রেল স্টেশন, উল্লাস বাসস্ট্যান্ডেও বেশ কয়েক জন আটকে রয়েছেন। তাদের খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি পাঠানোর চেষ্টা চলছে।

SARADINDU GHOSH 

First published: March 28, 2020, 6:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर