corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিলেছে ICMR-এর অনুমতি, পুরো দমে করোনা পরীক্ষা শুরু বর্ধমান মেডিক্যালে

মিলেছে ICMR-এর অনুমতি, পুরো দমে করোনা পরীক্ষা শুরু বর্ধমান মেডিক্যালে

করোনার নমুনা পরীক্ষার ব্যাপারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

  • Share this:

#বর্ধমান: এবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বেশি সংখ্যায় করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু হল। গত সপ্তাহে রিয়েল টাইম আর টি পি সি আর যন্ত্রে ওই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এর আগে সিবি ন্যাট যন্ত্রের সাহায্যে  পরীক্ষা চলছিল। রিয়াল টাইম আরট পিসিআর যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে  আইসিএমআর। করোনার নমুনা পরীক্ষার ব্যাপারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে রিয়াল টাইম আরটিপিসিআর যন্ত্রে করোনার নমুনা পরীক্ষার ব্যাপারে আইসিএমআরের অনুমোদন আসার পরই সেখানে পূর্ণ মাত্রায় নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তার আগে সি বি ন্যাট যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষা হচ্ছিল। তবে তাতে প্রতিদিন হাতে গোনা কয়েকটি পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছিল। শুধুমাত্র বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকা করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীদের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছিল ওই মেশিনে। বাকি সব নমুনা কলকাতায় আর জি কর হাসপাতালে পাঠাতে হচ্ছিল। এখন রিয়াল টাইম আর টি পি সি আর যন্ত্রের মাধ্যমে অনেক বেশি সংখ্যক পরীক্ষা করা যাচ্ছে। এর ফলে কলকাতা নির্ভরতা অনেকটাই কমেছে। এখনও  আর জি কর হাসপাতালে  নমুনা যাচ্ছে ঠিকই, তবে তা আগের তুলনায় অনেক কম।

লক ডাউনের শুরুতেই বর্ধমান মেডিক্যালে আইসিএমআর অনুমোদিত নমুনা পরীক্ষা চালুর কথা হয়েছিল। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজনীয় রিয়াল টাইম আরটিপিসিআর মেশিন বর্ধমান মেডিক্যালে ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর  বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলজি বিভাগ থেকে ওই মেশিন নিয়ে এসে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে বসানো হয়। তার পর আইসিএমআরের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছিল। সেই অনুমোদন আসার আগে স্বাস্থ্য দফতরের গাইডলাইন মেনে সিবি ন্যাট যন্ত্রের সাহায্যে করোনার পরীক্ষা করা হচ্ছিল। মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স টিউবারকুলোসিস বা চূড়ান্ত পর্যায়ের যক্ষ্মার পরীক্ষার জন্য এই সিবি ন্যাট যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। তবে করোনার নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই যন্ত্র বিশেষ কার্যকরী ছিল। করোনা নিশ্চিত করতে নমুনায় নিউক্লিয়ক্যাপসিড ও এনভেলাপ এই দুটি জিনের অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে হয়। এই যন্ত্রের সাহায্যে এই দুটি জিন শনাক্ত করা যাচ্ছিল। কিন্তু এই যন্ত্রে দিনে হাতে গোনা কয়েকটির বেশি করোনার নমুনা পরীক্ষা করা যাচ্ছিল না।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: May 18, 2020, 3:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर