corona virus btn
corona virus btn
Loading

আতঙ্ক চরমে!‌ তাই বর্ধমানের বাসিন্দাদের মুখ এখন সবসময় মাস্কে ঢাকা

আতঙ্ক চরমে!‌ তাই বর্ধমানের বাসিন্দাদের মুখ এখন সবসময় মাস্কে ঢাকা

রাস্তায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা বলছেন, লকডাউনের সময় বহু মানুষকে ধরে ধরে মাস্ক পরার ব্যাপারে সচেতন করতে হয়েছে।

  • Share this:

#‌বর্ধমান:‌ আতঙ্ক বাড়তেই এখন মাস্ক ‌পরছেন বর্ধমান শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দাই। শহরের রাস্তায় এখন মাস্ক বা ফেস কভার ছাড়া বাসিন্দার দেখা মেলা ভার। লকডাউনের সময় বাসিন্দাদের সকলকে মাস্ক পরাতে কালঘাম ছুটে ছিল পুলিশের। অনেকেই ধরপাকড় সত্ত্বেও মাস্ক না পরা রুটিনে পরিণত করেছিলেন। কিন্তু এখন শহরের প্রায় সব প্রান্তেই করোনার সংক্রমণের হদিশ মেলায় মাস্ক পরে বাইরে বের হচ্ছেন সকলেই।

বর্ধমান শহরের চারপাশেই এখন করোনার সংক্রমণ। সাতটি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করে লকডাউন পালন করা হচ্ছে। বেশিরভাগ বাসিন্দার বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে করোনা সংক্রমিত এলাকা। আর তাতেই উৎকণ্ঠা বেড়েছে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে। পথচলতি বাসিন্দার সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। বয়স্করা বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। শিশুদের বাড়ির বাইরে দেখা যাচ্ছে না। বাড়ির বাইরে কম বের হচ্ছেন মহিলারাও। সংক্রমণের আশঙ্কায় খুব প্রয়োজন ছাড়া এখন বাড়ির বাইরে বেরুচ্ছেন না অনেকেই।

কাজের প্রয়োজনে বা খাদ্য সামগ্রী কেনাকাটার জন্য শহরের বাসিন্দারা যাঁরা রাস্তায় বেরচ্ছেন বা বাজারে যাচ্ছেন তাঁরা এখন মুখ ঢাকছেন মাস্কে। কেউ কেউ এখন আবার ডাবল ফেস কভার ব্যবহার করছেন। পকেটে পকেটে ঘুরছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। মাঝেমাঝেই স্যানিটাইজার ঢেলে দু’‌হাত ভালো ভাবে ঘষে নিচ্ছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে এখন চাপে পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন উৎকণ্ঠিত বাসিন্দারা।

রাস্তায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা বলছেন, লকডাউনের সময় বহু মানুষকে ধরে ধরে মাস্ক পরার ব্যাপারে সচেতন করতে হয়েছে। অনেকের হাতে বিনামূল্যে মাস্ক তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন কিন্তু বাসিন্দাদের বেশিরভাগই মাস্ক বা ফেস কভারে মুখ ঢাকছেন। তাতে পুলিশের কাজ অনেকটা কমেছে। বাসিন্দারা আরও আগে থেকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন হলে শহরে সংক্রমণ আরও অনেক কম থাকতো বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরাও। তাঁরা বলছেন, এখন আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে পা না দেওয়াই ভালো। বাইরে বের হলে নিরাপদ দূরত্বে পোশাক পরিবর্তন করে ভালোভাবে নিজেকে পরিচ্ছন্ন করে তবেই পরিবারের অন্যান্যদের বিশেষত বয়স্ক ও শিশুদের সংস্পর্শে আসা উচিত। বাইরের জামা কাপড় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভালভাবে ধুয়ে রোদে দীর্ঘক্ষন ধরে ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া উচিত।

Saradindu Ghosh

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: July 16, 2020, 6:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर