corona virus btn
corona virus btn
Loading

কন্টেইনমেন্ট জোনে ব্যাঙ্ক এবং এটিএমে টাকা পেতে সমস্যায় গ্রাহকরা

কন্টেইনমেন্ট জোনে ব্যাঙ্ক এবং এটিএমে টাকা পেতে সমস্যায় গ্রাহকরা
Representational Image

বিভিন্ন কন্টেইনমেন্ট জোন ও বাফার জোনে রয়েছে একাধিক ব্যাঙ্ক। সেই সব এলাকায় ব্যাঙ্ক পরিষেবা আদৌ দেওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠন।

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতা শহর-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে লকডাউন। একাধিক কন্টেইনমেন্ট জোন করা হয়েছে। বিভিন্ন কন্টেইনমেন্ট জোন ও বাফার জোনে রয়েছে একাধিক ব্যাঙ্ক। সেই সব এলাকায় ব্যাঙ্ক পরিষেবা আদৌ দেওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠন।

তাদের অভিযোগ, ব্যাঙ্কের বিভিন্ন শাখা ও এটিএম গুলিতে কোনও ধরনের স্যানিটাইজেশনের কাজ করা হচ্ছে না। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের আক্রান্তের সংখ্যা। যা স্বভাবতই চিন্তা বাড়াচ্ছে ৷ কলকাতায় একাধিক ব্যাঙ্ক শাখার আধিকারিক কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কিছু জায়গায় শাখা বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবে প্রতিদিন যে ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে ভয় বাড়ছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের।

সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয়েছে এটিএম নিয়ে। অধিকাংশ জায়গায় গ্রাহকরা টাকা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে কন্টেইনমেন্ট জোনে যে সব এটিএম আছে। ব্যাঙ্ক সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু একাধিক ব্যাঙ্ক কর্মী আক্রান্ত, তাই এই সমস্যা। অধিকাংশ এটিএমে-র দায়িত্বে আছে বেসরকারি সংস্থা। তাদের ওপরে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে অনেকে টাকা ভরতে যাচ্ছেন না।

ব্যাঙ্ক অফিসার সংগঠনের নেতা সঞ্জয় দাস জানাচ্ছেন, "এই সব সংস্থার কর্মীরাও অনেকে কোভিডে আক্রান্ত। তাই এর প্রভাব পড়েছে।" এছাড়া চিন্তা বাড়ছে এটিএম নিয়েও। একাধিক এটিএম আছে যেখানে স্যানিটাইজেশনের কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ। যদিও প্রতিদিন সেখানে বহু মানুষ যাতায়াত করেন। মেশিনে স্পর্শ হয়। তার পরেও কেন এটিএম মেশিন স্যানিটাইজ করা হচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্কিং অফিসার কনফেডারেশনের সদস্যরা।

সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৌম্য দত্ত জানিয়েছেন, "এটা সত্যি যে এটিএম স্যানিটাইজ হচ্ছে না। এক একটা এটিএম হটস্পট হয়ে যাচ্ছে। কে বা কারা আসছে তা কোনও ভাবেই পরীক্ষা করা হচ্ছে না। ফলে আশঙ্কা থাকছে এই এটিএমগুলি থেকে।" অফিসার সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সঞ্জয় দাস জানাচ্ছেন, "এটিএম বিভিন্ন ফ্র‍্যাঞ্চাইজিকে দেওয়া আছে। তাদের কাজ এই এটিএম গুলিকে স্যানিটাইজ করা। কিন্তু তারা সেটা করছে না।" সূত্রের খবর, লকডাউনের কারণে প্রচুর কর্মী কমে গিয়েছে। ফলে টাকা ভরা বা স্যানিটাইজ করার কাজ হতে ভীষণ রকম দেরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের চেস্ট রুম বন্ধ করা হয়েছে। কারণ এই সব চেস্ট রুমে যে সব কর্মীরা কাজ করতেন তাদের অনেকেই করোনা আক্রান্ত।

কলকাতায়  ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বউবাজার শাখার চেস্ট রুম বন্ধ। হাওড়ায় ডবসন লেনের চেস্ট রুম বন্ধ। ফলে বিভিন্ন ব্যাঙ্কেও টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। এর পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অফিসারদের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে,তারা চাইছেন ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করতে। এছাড়া তাদের দাবি, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ব্যাঙ্ক চালু রাখা হোক। সংগঠনের তরফে সৌম্য দত্ত জানাচ্ছেন, "আমাদের টাকা গুনতে হয়। অনেকেই আসছেন তারা কেউ হয়তো ক্যারিয়ার কেউ বা আবার হয়তো আক্রান্ত হয়ে আসছেন। কিছুই তো বুঝতে পারছিনা। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন আমাদের কর্মীরা।" সংগঠনের অপর সদস্য সঞ্জয় দাস জানাচ্ছেন, "এখন কৃষি ঋণ বা এমএসএমই লোনের সময়। তাই আমরা বলছি না যে কাজ করব না বা পরিষেবা দেব না। কিন্তু আমাদের সুরক্ষা বলেও তো একটা ব্যাপার আছে। ফলে সময় কমানো হোক।" ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ এসএলবিসি'কে চিঠি লিখে জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা।

আবীর ঘোষাল

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: July 18, 2020, 10:07 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर