রোজগার প্রায় বন্ধ, লকডাউনে বিপাকে অটোচালকরা !

Representational Image

Representational Image

লকডাউনে বিপাকে অটোচালকরা ৷ করোনা মোকাবিলায় লকডাউন করে পরিস্থিতি সামালের চেষ্টা।

  • Share this:

    #কলকাতা: লকডাউনে রাস্তা থেকে উধাও অটো। রাস্তায় না বেরোতে পেরে চিন্তায় অটোচালকরা। কলকাতাতেই ১৬৫টি রুটে ৩৫ হাজারের বেশি অটো চলে। অথচ হাজার হাজার অটো চালক এখন কার্যত বেকার। কীভাবে সংসার চলবে তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে অটোচালকদের।

    লকডাউনে বিপাকে অটোচালকরা ৷ করোনা মোকাবিলায় লকডাউন করে পরিস্থিতি সামালের চেষ্টা। কয়েকটি ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হলেও বন্ধ বাস-ট্রেন-বিমান। বন্ধ ট্যাক্সি ও অ্যাপ ক্যাব। রাস্তায় বেরচ্ছে না অটো। পথে না নামতে পেরে কার্যত দিশেহারা অটোচালকরা। দিন কীভাবে চলবে তা নিয়ে এখন রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে তাঁদের।

    কলকাতা শহর ও শহরতলিতে মোট ১২৫টি রুটে সবমিলিয়ে ৩৫ হাজার অটো চলে। প্রতিদিন অটোচালকদের গড় রোজগার তিনশো থেকে চারশো টাকা। মাসিক বেতন না থাকলেও মাসের শেষে নয় থেকে দশ হাজার টাকা রোজগার করেন অটোচালকরা।

    কিন্তু, গত ২৩ মার্চ থেকে লকডাউন। ফলে, রাস্তায় অটো না বেরনোয় মাসের শেষে পকেট ফাঁকা অটোচালকদের।আহিরিটোলা ঘাট থেকে বিডন স্ট্রিট রুটে সত্তরটি অটো চলে। আহিরিটোলা থেকে মানিকতলা পর্যন্ত সত্তরটি অটো চলে। বালিগঞ্জ স্টেশন থেকে আলিপুর জজ কোর্টে প্রতিদিন একশো পাঁচটি অটো চলে। শিয়ালদহের বি আর সিং হাসপাতাল থেকে ধাপা মাঠপুকুর পর্যন্ত ২৫০টি অটো প্রতিদিন যাতায়াত করে। টালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে বেহালা ট্রাম ডিপো পর্যন্ত ৯০টি অটো চলে। দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর থানা থেকে তারাতলা পর্যন্ত প্রতিদিন ১৬৫টি  অটো প্রতিদিন রাস্তায় নামে।

    করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের ঘোষমার পর থেকেই রাস্তা থেকে উধাও অটো। পরিস্থিতি সামাল দিতে মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যেরও দাবি জানিয়েছেন অটো ইউনিয়নের নেতারা।

    জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে হলুদ ট্যাক্সি ব্যবহারে শর্তসাপেক্ষে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অটো চালকদের দাবি, জরুরি পরিষেবাতে অটোও ব্যবহার করা হোক। লকডাউনের জেরে রাস্তায় নেই অটো। এই পরিস্থিতিতে দিন কীভাবে গুজরান করবেন তা নিয়েই চিন্তা বাড়ছে অটোচালকদের।

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: