corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা থাবা বসিয়েছে কলকাতা পুলিশের ৩৫ জন কর্মী-আধিকারিকের শরীরে, সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন

করোনা থাবা বসিয়েছে কলকাতা পুলিশের ৩৫ জন কর্মী-আধিকারিকের শরীরে, সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন
ফাইল ছবি

আক্রান্তের সংখ্যা এভাবে বেড়ে যাওয়াটা একদিকে উদ্বেগের হলে একইসঙ্গে স্বস্তির খবরও রয়েছে । আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি অনেকেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন । এখনও অবধি ১৫ জন পুলিশকর্মী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানা গিয়েছে ।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনার সঙ্গে যুদ্ধে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি পুলিশও অন্যতম যোদ্ধা । শহরে লকডাউন ঠিকমতো পালন হচ্ছে কিনা তা দেখা থেকে শুরু করে বাজারের ভিড় সামলানো, করোনা হাসপাতালে নিরাপত্তা দেওয়া । এমনকী, দুঃস্থ মানুষদের ত্রাণ দিয়ে সাহায্য করার দায়িত্বও পুলিশকর্মীদের কাঁধে । আর এই সকল কাজ করতে গিয়েই যোদ্ধারাও করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন ।

লালবাজার সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের এখনও অবধি ৩৫ জন পুলিশ কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন । শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে। আক্রান্তের সংখ্যা এভাবে বেড়ে যাওয়াটা একদিকে উদ্বেগের হলে একইসঙ্গে স্বস্তির খবরও রয়েছে । আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি অনেকেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন । এখনও অবধি ১৫ জন পুলিশকর্মী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানা গিয়েছে । যাদের মধ্যে কলকাতা পুলিশের তিন থানার ওসি, সাব-ইন্সপেক্টর ও সার্জেন্টও রয়েছেন । তাঁরা সুস্থ হয়ে ফিরে ডিউটিতেও যোগ দিয়েছেন । করোনা আক্রান্ত পুলিশকর্মীদের দ্রুত সুস্থ হয়ে কাজে ফেরা মনোবল যোগাচ্ছে অন্য পুলিশকর্মীদের ।

তবে কলকাতা পুলিশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন লালবাজার । ইতিমধ্যেই পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা সমস্ত পুলিশকর্মীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন । ডিভিশনাল ডিসিদের মাধ্যমে প্রত্যেক স্তরের পুলিশকর্মীকে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে । পুলিশ কমিশনার তার বার্তায় বারবার জানিয়েছেন, প্রত্যেক পুলিশকর্মীকে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে । স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে । মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস পরে কাজ করা বাধ্যতামূলক। প্রয়োজনে পিপিই পরে কাজ করতে হবে ।

সিপি নির্দেশ দিয়েছেন, প্রত্যেক থানা ও থানার ব্যারাক নিয়ম করে স্যানিটাইজ করতে হবে । থানা ও অফিসের মেস ও ক্যান্টিন যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে । প্রত্যেক পুলিশকর্মীকে নিয়ম করে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করাতে হবে । শরীরে জ্বর, সর্দি কিংবা করোনা সংক্রান্ত কোনও উপসর্গ রয়েছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে ।

পুলিশকর্মীদের সচেতনতার বার্তা দেওয়া ছাড়াও সিপি জানিয়েছেন, যেহেতু বেশ কিছু ক্ষেত্রকে লকডাউনের মাঝে সরকারি ছাড় দিয়েছে সরকার, তাই রাস্তায় গাড়ির ও মানুষের সংখ্যা আগের থেকে কিছুটা বেড়েছে । কিন্তু যাদের রাস্তায় দেখা যাচ্ছে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। জানতে চাইতে হবে কী কারণে তাঁরা রাস্তায় বেরিয়েছেন । রাস্তায় বেরনোর উপযুক্ত কারণ বা নথি না দেখাতে পারলে প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে ।

যে সমস্ত অফিস ও দোকান সরকারি নিয়মে খুলেছে। সেখানে সব রকম নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কিনা, কর্মীরা মাস্ক পরে কাজ হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর রাখতে হবে । সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে কিনা তাও তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে ।

শহরের বাজারগুলিতে সব রকম নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে । মাস্ক না পরলে কোনভাবেই বাজারে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। সেখানেও মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব। এছাড়া শহরের কোথাও প্রয়োজন ছাড়া জমায়েত হচ্ছে কিনা সেদিকেও নজর রাখতে হবে । যত্রতত্র থুতু ফেললে কিংবা রাস্তাঘাট নোংরা করতে দেখলে ফের আইন মেনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ  দিয়েছে লালবাজার ।

SUJOY PAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 18, 2020, 11:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर